চট্টগ্রাম নগরীতে চকবাজারে বিভিন্ন কোচিং সেন্টারে অভিযান পরিচালনা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।অভিযানে সরকারি নির্দেশনা অমান্য করে কার্যক্রম চালু রাখায় কয়েকটি কোচিং সেন্টার সিলগালা করে দেওয়া হয়।
চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তানভীর ফরহাদ শামীম, মো. উমর ফারুক এবং মাসুদুর রহমানের নেতৃত্বে ৩০ অক্টোবর (বুধবার) বিকেলে চকবাজারের বিভিন্ন কোচিং সেন্টারে একযোগে অভিযান পরিচালনা করা হয়।।
২ নভেম্বর শুরু হওয়া জেএসসি ও জেডিসি পরীক্ষার কারণে ২৫ অক্টোবর থেকে ১৫ নভেম্বর পর্যন্ত শিক্ষা মন্ত্রণালয় কর্তৃক কোচিং সেন্টার বন্ধ রাখার সরকারি নির্দেশনা থাকলেও এ নির্দেশনা অমান্য করে চট্টগ্রামে চালু থাকা কোচিং সেন্টার বন্ধে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
বিকেল ৪টা থেকে চকবাজারের মতি টাওয়ার এবং লালচাঁন্দ রোডের বিভিন্ন কোচিং সেন্টারে চলা অভিযানে নেতৃত্ব দেন ম্যাজিস্ট্রেট তানভীর ফরহাদ শামীম। অন্যদিকে কলেজ রোডের বিভিন্ন কোচিং সেন্টারে চলা অভিযানে নেতৃত্ব দেন ম্যাজিস্ট্রেট মো. উমর ফারুক।
এ ছাড়া গুলজার টাওয়ার এবং চট্টেশ্বরী রোডের বিভিন্ন কোচিং সেন্টারে অভিযান চালানো হয়।
অভিযানে লালচাঁন্দ রোড এবং চট্টেশ্বরী রোডে কোনো কোচিং সেন্টার খোলা পাওয়া না গেলেও কোচিং সেন্টার খোলা রেখে কার্যক্রম চালু রাখায় কলেজ রোডের ৩টি কোচিং সেন্টার সিলগালা করে দেওয়া হয়। অভিযানের মুখে অন্যরা কোচিং সেন্টারে নিজেরাই তালা দিয়ে পালিয়ে যান।
অভিযানের বিষয়ে ম্যাজিস্ট্রেট মো. উমর ফারুক জানান, সরকারি নির্দেশনা অমান্য করে কার্যক্রম চালু রাখায় ৩টি কোচিং সেন্টার সিলগালা করে দেওয়া হয়েছে। অভিযানের খবর পেয়ে ১৫-২০টি কোচিং সেন্টারের মালিক নিজেরাই কোচিং সেন্টারে তালা দিয়ে পালিয়ে গেছেন।
চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক মো. ইলিয়াস হোসেনের নির্দেশে নগরের অন্য কোচিং সেন্টারগুলোতেও অভিযান পরিচালনা করা হবে বলে জানান চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসনের এ কর্মকর্তা।








