সিপ্লাস প্রতিবেদক: চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের ১৬ নম্বর চকবাজার ওয়ার্ডে কাউন্সিলর পদে উপ-নির্বাচনের ভোটগ্রহণ চলছে।
বৃহস্পতিবার (৭ অক্টোবর) সকাল ৮টা থেকে ভোট গ্রহণ শুরু হয়।বিকাল ৪টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণ চলবে।
এই ওয়ার্ডের নির্বচিত কাউন্সিলর কাউন্সিলর সাইয়্যেদ গোলাম হায়দার মিন্টু মারা যাওয়ার পর এই উপ-নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
এই ওয়ার্ডের ১৫টি কেন্দ্রে ইভিএমের মাধ্যমে ভোট গ্রহণ চলছে। নির্বাচনের নিরাপত্তা রক্ষায় ৫ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট দায়িত্ব পালন করছেন।
নির্বাচনে বিএনপির একজন এবং আওয়ামী লীগের ২০জন প্রার্থীসহ মোট ২১ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
প্রার্থীরা হলেন হলেন- যুবলীগ নেতা নূর মোস্তফা টিনু (মিষ্টি কুমড়া), মো. সামশেদ নেওয়াজ রনী (ঘুড়ি প্রতীক), মো. নাজিম উদ্দীন (কাঁচি), বিএনপির একক প্রার্থী এ কে এম সালাউদ্দিন কাউসার লাবু (হেডফোন), মহানগর মহিলা আওয়ামীলীগের সহ সভাপতি মমতাজ খান (পান পাতা), কাউন্সিলর সাইয়্যেদ গোলাম হায়দার মিন্টুর স্ত্রী মেহেরুন্নিছা খানম (ড্রেসিং টেবিল), মো. আলী আকবর হোসেন চৌধুরী (কাঁটা চামচ), মো. সেলিম রহমান (ঠেলাগাড়ি), কায়ছার আহমেদ (প্রদীপ), মো. আবুল কালাম চৌধুরী (সূর্যমুখী ফুল), শওকত ওসমান (এয়ারকন্ডিশনার), মো. নোমান চৌধুরী (ট্রাক্টর), মো. শাহেদুল আজম শাকিল (ক্যাপ), মোহাম্মদ দেলোয়ার হোসাইন (রেডিও), মো. আজিজুর রহমান (হেলমেট), মো. আব্দুর রউফ (ব্যাডমিন্টন র্যাকেট), মো. নুরুল হুদা (ঝুড়ি), কাজী মুহাম্মদ ইমরান (লাটিম), মো. রুবেল ছিদ্দিকী (করাত), মো. আলাউদ্দিন (টিফিন ক্যারিয়ার), মোহাম্মদ জাবেদ (স্ট্রবেরি)।
চকবাজার ওয়ার্ডে মোট ভোটার সংখ্যা ৩২ হাজার ৪১ জন। পুরুষ ভোটার ১৬ হাজার ২১৬ জন এবং নারী ভোটার ১৫ হাজার ৮২৫ জন। ১৫টি ভোটকেন্দ্রে ৮৬টি ভোটকক্ষ। ভোটগ্রহণের জন্য ১৫ জন প্রিসাইডিং অফিসার, ৮৬জন সহকারী প্রিসাইডিং ও ১৭২জন পোলিং কর্মকর্তাসহ ২৭৩ জন কর্মকর্তা রয়েছেন।
রিটার্নিং অফিসার ও জেলা সিনিয়র নির্বাচন কর্মকর্তা মো. জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, সুষ্ঠুভাবে ভোটগ্রহণ চলছে। এই ওয়ার্ডের প্রতিটি কেন্দ্রে ইভিএমে ভোট হচ্ছে। প্রত্যেক কেন্দ্রে পর্যাপ্ত পুলিশ রয়েছে।
সরেজমিন চট্টগ্রামের সরকারি মহসিন কলেজ, চট্টগ্রাম কলেজ ও কাজেম আলী স্কুল অ্যান্ড কলেজ কেন্দ্র পরিদর্শন করে দেখা গেছে, ভোটকেন্দ্রে ভোটারদের উপস্থিতি একবারেই কম। তিনটি কেন্দ্রে ভোটারদের কোনো লাইন দেখা যায়নি। কিছুক্ষণ পরপর একজন দুইজন করে ভোটার এসে ভোট দিয়ে যাচ্ছেন।

