নিউজটি শেয়ার করুন

চকরিয়ায় যাত্রী বেশে উঠে বাসে ডাকাতির ঘটনায় আটক ৬

সিপ্লাস ডেস্ক: চকরিয়া এলাকার ডাকাতির ঘটনায় জড়িত সশস্ত্র ডাকাত দলের মো. ইয়াহিয়া প্রকাশ জয়নাল (২৬), ছলিম উল্লাহ (৩৩),ছাবের আহমেদ (২৯), আবুল কালাম (৩০) শাহ আমান প্রকাশ বাটু (২৮) ও চট্টগ্রামের পতেঙ্গা থানার মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ (২৫) নামে ৬ সদস্যকে অস্ত্রসহ গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব। তাদের কাছ থেকে লুটে নেওয়া মালামালও উদ্ধার করা হয়েছে।

রোববার (২৯ নভেম্বর) দিনভর চট্টগ্রামের বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

র‌্যাব-৭ এর সহাকারী পরিচালক মোহাম্মদ মাহমুদুল হাসান মামুন স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে  এ তথ্য জানানো হয়।

গ্রেপ্তাররা হলেন- কক্সবাজার জেলার নাইক্যংদিয়ার হায়দার আলীর ছেলে মো. ইয়াহিয়া প্রকাশ জয়নাল , একই জেলার ফরিদুল আলমের ছেলে ছলিম উল্লাহ , মো. শাহাজাহানের ছেলে ছাবের আহমেদ , হাছন আলীর ছেলে আবুল কালাম, শাহ আলমের ছেলে শাহ আমান প্রকাশ বাটু  ও চট্টগ্রামের পতেঙ্গা থানার মোহাম্মদ বদরুদ্দোজার ছেলে মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ ।

এসময় তার দেহ তল্লাশি করে কোমরে গোজা অবস্থায় ১টি দেশীয় ওয়ান শুটার গান, ১ রাউন্ড ৭.৬২ এমএম রাইফেলের বুলেট ও ১টি রামদা উদ্ধার করা হয়। পরে তার দেয়া তথ্যমতে কক্সবাজারের বিভিন্ন জায়গায় অভিযান চালিয়ে আরও ৪ জনকে গ্রেপ্তার করে র‌্যাব। এসময় তাদের দেহ তল্লাশি করে ডাকাতির সময় ছিনিয়ে নেয়া ২০টি মোবাইল ফোন, ১ জোড়া স্বর্ণের কানের দুল, ১টি হাতঘড়ি, ২ হাজার ৫৮০ টাকা, ২৫৫ আরব আমিরাতের মুদ্রা, ৩০০ ওমানের মুদ্রা উদ্ধার করা হয়। এরপর তাদের দেয়া তথ্যমতে বাসের নিয়ন্ত্রণকারী মোহাম্মদ আবদুল্লাহকে মহেশখালী থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ ঘটনায় ৭ জনের মধ্যে ৬জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বাকি পলাতক ১ জনকেও শনাক্ত করতে সক্ষম হয়েছে র‌্যাব। তাকে ধরতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলেও জানান র‌্যাব।

উল্লেখ্য, গত শুক্রবার (২৭ নভেম্বর) ভোর রাত সাড়ে তিনটা থেকে সাড়ে ৪টা পর্যন্ত ঘণ্টাব্যাপী চলন্ত বাসে যাত্রীবেশী ৭-৮ জন ডাকাত প্রায় ২০ কিলোমিটার সড়ক পথে চলন্ত বাসে যাত্রীদের জিম্মি করে সর্বস্ব লুটে নেয়। এ সময় বেশ কয়েকজন যাত্রী বাধা দেয়ার চেষ্টা করলে ডাকাতরা এলোপাতাড়ি মারধর ও গুলি ছুড়ে। এসময় গুলিবিদ্ধ ২ জনসহ ১৫ জন আহত হয়।

ডাকাতের গুলিতে আহত হয়, কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার সাবরাং ইউনিয়নের পানছড়ি গ্রামের এজাহার আহমদের পুত্র আবদুল্লাহ আল মামুন (২৭) এবং রাকিব উদ্দিন (৩০) নামের আরেক যাত্রী। মামুন টেকনাফ উপজেলার সাবরাং ইউনিয়নের পানছড়ি গ্রামের এজাহার আহমদের ছেলে।