কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার সুরাজপুর-মানিকপুর পয়েন্টে ফের নির্মিত হচ্ছে বিশাল আয়তনের একটি কাঠের সেতু। সেতুটির নির্মাণ কাজ সমাপ্ত হলে যাতায়াত ব্যবস্থায় সুফল পাবে নদীর দুইতীরের অন্তত ৩৫ হাজার জনসাধারণ।
স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের অর্থায়নে নির্মিত কাঠের সেতুটির নির্মাণ কাজ কয়েকদিন আগে আনুষ্টানিকভাবে উদ্বোধন করা হয়েছে। স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ম সম্পাদক আজিমুল হক আজিম নদীতে গাছের খুটি স্থাপনের মাধ্যমে নির্মাণ কাজ শুরু করেছেন।
স্থানীয় লোকজন জানান, সেতুটি উদ্বোধনের মাধ্যমে জনগনের চলাচলের জন্য খুলে দেওয়া হলে ইউনিয়নের অন্তত ৩৫ হাজার মানুষের মাঝে যোগাযোগ ক্ষেত্রে নতুন দিগন্তের সুচনা হবে। এখন থেকে জনগনের অবাধ চলাচল নিশ্চিত হওয়ার পাশাপাশি কৃষকরা জমিতে উৎপাদিত ফসল সহসা বাজারে নিতে পারবে। এর মাধ্যমে অর্থনৈতিক স্বর্নিভরতার পথ সুগম করেছে সেতুটি।
ইউপি চেয়ারম্যান আজিমুল হক আজিম বলেন, সুরাজপুর-মানিকপুর ইউনিয়নের জনসাধারণকে এত বছর দুইভাবে বিভক্ত করে রেখেছিলো মাতামুহুরী নদী। যোগাযোগ ব্যবস্থা অনুন্নত থাকার কারনে কৃষক জমিতে উৎপাদিত ফসল ভালো দামে বিক্রি করতে পারতো না। তিনি বলেন, বিষয়টি আমলে এবছর ইউনিয়ন পরিষদের অর্থায়নে নদীতে কাঠের সেতুটি নির্মাণ করা হয়েছে। যাতে যোগাযোগের ক্ষেত্রে জনদুর্ভোগ লাগব ঘটে আর কৃষকরা উৎপাদিত ফসল বিক্রি করে লাভবান হতে পারে।
চকরিয়া উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ ফজলুল করিম সাঈদী বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বর্তমান সরকার উন্নয়নে বিশ্বাসী। তাই দেশরত্ম শেখ হাসিনার উন্নয়ন অগ্রযাত্রা চকরিয়া জনপদেও লেগেছে। তার প্রমাণ হলো সুরাজপুর-মানিকপুর বাসির জন্য স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যানের কাঠের সেতু উপহার। এভাবে দেশ এগিয়ে যাবে। উপজেলা চেয়ারম্যান বলেন, আগামীতে মাতামুহুরী নদীর সুরাজপুর-মানিকপুর পয়েন্টে একটি পাকা সেতু নির্মাণের প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেয়া হবে। যাতে জনগনের ভাগ্য পরিবর্তন ঘটে।








