সিপ্লাস প্রতিবেদক: চট্টগ্রামের কোতোয়ালি-বাকলিয়ার বঙ্গবন্ধু স্মৃতি সংসদ বলিরহাট সেই ৮০র দশকে, বাকলিয়ার পুরোনো ঐতিহ্য, কাঠের কাজের (কার্পেন্ট্রি) একটি নিদর্শন হিসেবে একটি চেয়ার সুদূর নেত্রীর টুঙ্গিপাড়ার বাড়ির জন্য শেখ হাসিনাকে উপহার দেয়া হয়েছিলো। প্রতিবছর ১৫ আগস্টে রাষ্ট্রীয় শ্রদ্ধা নিবেদন অনুষ্ঠানে টুঙ্গিপাড়ায় বঙ্গবন্ধুর বাড়িতে এলেই সেই চেয়ারেই বসেন বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
এই চেয়ার অনেকে দেখলেও নিরাপত্তা জনিত কারণে সবসময় এর ছবি তোলা কখনও সম্ভব হয় না। অবশেষে নিজ সংসদীয় আসনের বাকলিয়ার পুরোনো ঐতিহ্য, কাঠের কাজের (কার্পেন্ট্রি) তৈরি সেই নিদর্শনের ছবি তুলে নিজ ভেরিফাইড ফেইসবুক পেইজে শেয়ার করলেন স্থানীয় সাংসদ, শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল।
পাঠকদের জন্য শিক্ষা উপমন্ত্রীর দেয়া সেই স্ট্যাটাস হুবহু তুলে ধরা হলো:

‘প্রতিবছর ১৫ আগস্টে রাষ্ট্রীয় শ্রদ্ধা নিবেদন অনুষ্ঠানে টুঙ্গিপাড়ায় বঙ্গবন্ধুর বাড়িতে এই চেয়ারে বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা বসেন। তিনি না আসলে চেয়ারটি যত্নের সাথে ঢেকে রাখা হয়। নিরাপত্তা জনিত কারণে সবসময় এই চেয়ার দেখে এসেছি কিন্তু সেদিন এর ছবি তোলা কখনও সম্ভব হয় না।
এবার সুযোগ হলো টুঙ্গিপাড়ায় বঙ্গবন্ধুর বাড়িতে ১৫ আগষ্টের আগে গিয়ে অবশেষে এর একটি ছবি তোলা। আমার নির্বাচনী আসন, কোতোয়ালি-বাকলিয়ার বঙ্গবন্ধু স্মৃতি সংসদ বলিরহাট সেই ৮০র দশকে, বাকলিয়ার পুরোনো ঐতিহ্য, কাঠের কাজের (কার্পেন্ট্রি) একটি নিদর্শন হিসেবে এই চেয়ারটি সুদুর নেত্রীর টুঙ্গিপাড়ার বাড়ির জন্য জননেত্রী শেখ হাসিনাকে উপহার দেন।
আমার নির্বাচনি এলাকার ঐতিহ্যের এই নিদর্শন এখনো সযত্নে ব্যবহার হচ্ছে। বাংলার তথা চট্টগ্রামের সাধারণ কাঠের মিস্ত্রিদের হাতে তৈরি এই চমৎকার চেয়ারটিই বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী টুঙ্গিপাড়ার ব্যবহার করেন। কোনো বিদেশি দামী চামড়ায় মোড়ানো ব্রান্ডের রিভলভিং চেয়ার নয়, আমাদের বাকলিয়ার বলিরহাট বঙ্গবন্ধু পরিষদের উপহার, বাংলার সাধারণ কাঠমিস্ত্রীর শ্রমে ঘামে, নিজেদের হাতে কাজ করা, ভালবাসা আর ভক্তির সাথে তৈরি, এই উপহারে বঙ্গবন্ধুর প্রতি, শ্রদ্ধা সম্মানের মুজিব কন্যার প্রতি আন্তরিক ভালোবাসা, কি অকৃত্রিম ভাবে ফুটে উঠেছে। এটি নিখাদ ভালোবাসার নিদর্শন। কোনোদিন কোনো প্রচার মাধ্যমে প্রচারিত হয়নি এই ভালোবাসার কথা, এই শ্রদ্ধার কথা। চট্টগ্রামের মানুষের এই নিদর্শন, বাঙালির তীর্থের এই ঐতিহাসিক জায়গায় ঠায় দাড়িয়ে আছে। এই নিখাদ ভালোবাসাকে ধারণ করেন মুজিব কন্যা, এখনো আছে সেটি এবং থাকবে। প্রতি বছর যত্নের সাথে ব্যবহৃত হয়। আর এজন্যই তিনি শেখ হাসিনা, তিনিই বাংলাদেশ। তিনি বঙ্গবন্ধুর কন্যা।








