চট্টগ্রাম উত্তর ও দক্ষিণ জেলায় আওয়ামী লীগসহ অঙ্গসংগঠনের সঙ্গে জড়িত এমন ৫০ জন বিতর্কিত ও অনুপ্রবেশকারীকে শনাক্ত করা হয়েছে। তবে এই তালিকায় কোনো মন্ত্রী-এমপি নেই বলেও চট্টগ্রামের দায়িত্বপ্রাপ্ত কেন্দ্রীয় নেতারা জানিয়েছেন।
আওয়ামী লীগ তিনবার ক্ষমতায় আসার পর বৃহত্তর চট্টগ্রামে আওয়ামী লীগের কিছু শীর্ষ নেতা অনৈতিক সুবিধা নিয়ে দলের ভেতরে সুবিধাবাদী-বিতর্কিতদের স্থান দিয়েছেন। তাদের কর্মকাণ্ডে বিতর্কিত হচ্ছে দল। শেষ পর্যন্ত তাদেরকে শনাক্ত করে বের করে দেয়ার উদ্যোগ নিয়েছেন দলের সভানেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
সারাদেশে দলের মধ্যে অনুপ্রবেশকারী-সুবিদাবাধীদের একটি তালিকা তৈরি করে তা বই আকারে প্রকাশ করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার জন্য জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতাদেরকে চিঠি দেয়া হচ্ছে। বিতর্কিত ও অনুপ্রবেশকারীদের নিয়ে প্রকাশিত বইয়ের ফটোকপি জেলার দায়িত্বপ্রাপ্ত যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও সাংগঠনিক সম্পাদকদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। তারা এখন জেলার নেতাদের কাছে পাঠাবেন বলে জানা গেছে।
এ বিষয়ে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক (চট্টগ্রাম বিভাগ) ও পানি সম্পদ উপমন্ত্রী এ কে এম এনামুল হক শামীম জানান, চট্টগ্রামে বিতর্কিত-অনুপ্রবেশকারী-হাইব্রিডদের তালিকা পেয়েছি। এটা নিয়ে এখন যাচাই-বাছাইয়ের কাজ চলছে। তবে তালিকায় গুরুত্বপূর্ণ কেউ নেই বলে জানান তিনি।
তিনি বলেন, দলীয় সিদ্ধান্ত না মেনে নির্বাচন করায় চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারের ১২ জনের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেয়ার জন্য শো-কজ করা হয়। শো-কজের জবাবে বিদ্রোহী প্রার্থীরা ভবিষ্যতে দলের বিরুদ্ধে গিয়ে কোন কার্যকলাপ করবেন না মর্মে অঙ্গীকারনামা দিয়ে ক্ষমা চেয়েছেন। তাই এবারের মতো বিদ্রোহীদের মাফ করে দেয়া হয়েছে বলে জানান কেন্দ্রীয় নেতারা।








