জিয়াউল হক ইমন: বন্দর নগরী চট্টগ্রামে করোনার ঝুঁকি নিয়ে ১২ টি পয়েন্টে চেকপোস্ট বসিয়ে সড়ক শৃঙ্খালার কাজ করে যাচ্ছে ট্রাফিক পুলিশ। এর মধ্যে দায়িত্ব পালনরত অবস্থায় করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ট্রাফিক পুলিশের তিন সদস্য। হোম এবং ব্যারাক কোয়ারান্টাইনে আছেন প্রায় দুই শতাধিক সদস্য। যদি ও রাস্তায় গণ পরিবহণ নেই। কিন্তু ট্রাফিক পুলিশকেই জরুরী সেবাসহ বিভিন্ন যানবাহন সামাল দিতে হচ্ছে ।
রবিবার(১৯ এপ্রিল) বিকালে নগরীর জিইসিমোড়,নিউ মার্কেট মোড়সহ বেশ কয়েকটি স্পটে যানবাহন নিয়ন্ত্রণে ট্রাফিক পুলিশ কড়া চেকপোস্ট বসিয়ে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখাসহ সড়কে চলাচলরত যানবাহনের উপর নজরদারি চালায় ।
বৈধ কাগজ পত্র দেখাতে না পারায় মামলার শিকার হওয়া কয়েকজনও ট্রাফিক পুলিশের চলমান কড়া চেকপোস্টকে সাধুবাদ জানান ।
কাগজপত্র ও ঘর থেকে বের হবার যথেষ্ট যুক্তি না থাকলে কোন প্রকার ছাড় নেই।সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিতে নগরবাসীকে সচেতনও করতে ও দেখা যায় দায়িত্বরত ট্রাফিক সাজের্ন্টরদের।
চট্টগ্রাম মেট্টোপলিটন পুলিশের অতিঃ কমিশনার (ট্রাফিক)মোস্তাক আহমেদ খান জানান, ট্রাফিক বিভাগের প্রতিটি সদস্যের সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিত করেই নগরের ভিতরে ৬টি ও বাইরে ৬টি মোট ১২ টি পয়েন্টে কাজ চালিয়ে যাচ্ছি।বৈধ কাগজপত্র দেখাতে না পারলে মামলা দিচ্ছি। অযথা গাড়ী নিয়ে ঘুরাঘরি করতে বের হলে গাড়ী জব্দসহ মামলা দিচ্ছি।পাশাপাশি নগরবাসীকে সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত করাসহ সচেতনতা ও সর্ততা অবলম্বনের জন্য উদ্বুদ্ধ করছি ।
তিনি আরো বলেন, খুবই দু্:খজনক খবর হলো আমাদের ট্রাফিকের তিন সদস্য করোনায় আক্রান্ত ।তাদের যথাযথ চিকিৎসা নিশ্চিতসহ প্রায় ২শ ট্রাফিক সদস্যকে হোম ও ব্যারাক কোয়ারাইন্টানে রাখা হয়েছে। সবাইকে সুস্থ রাখার জন্য সিএমপি’র পক্ষ থেকে সব ধরণের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
বিস্তারিত জানার জন্য নিচে দেয়া ভিডিও লিঙ্কটিতে প্রবেশ করুন।








