নিউজটি শেয়ার করুন

চট্টগ্রামে গণহত্যা মামলার বাদিকে টাকা দিয়ে আপোষের প্রস্তাব দিয়েছিলো তৎকালীন প্রশাসন

চট্টগ্রামে গণহত্যা মামলার বাদিকে ব্রিফকেস ভর্তি টাকা দিয়ে আপোষের প্রস্তাব দিয়েছিলো তৎকালীন প্রশাসন।

আগামীকাল (২৪ জানুয়ারি)  চট্টগ্রামের আলোচিত গণহত্যা দিবস৷ ১৯৮৮ সালের ২৪ জানুয়ারি আজকের প্রধানমন্ত্রীর মিছিলে নির্বিচারে গুলি চালিয়ে অন্তত ২৪ জনকে হত্যার সেই দিনটি চলতি বছর পালিত হবে একটু ভিন্ন আমেজে৷

কারণ সেদিনের হত্যাকাণ্ডের  ৩২ বছর পর , গত ২০ জানুয়ারি মাননীয় আদালত  গনহত্যার রায় ঘোষনা করেন। তবে এই মামলা যিনি দায়ের করেছিলেন অর্থাৎ মামলার বাদী বীরমুক্তিযোদ্ধা এডভোকেট শহীদুল হুদা এই রায় দেখে যেতে পারেননি৷ ২০০৫ সালে তিনি মারা যান৷

আজ প্রয়াত এডভোকেট শহীদুল হুদা’র স্ত্রী, সন্তানরা সিপ্লাস টিভিকে দেয়া সাক্ষাতকারে জানিয়েছেন বেশ কিছু অজানা তথ্য।

বাদীর স্ত্রী জানান, তাঁর স্বামী বরাবরই অন্যায় দেখলে ঝাপিয়ে পড়তেন। ২৪ জানুয়ারি গনহত্যা মামলা দায়ের করায় প্রয়াত শহীদুল হুদাকে নানান হুমকি ধমকি দিয়ে দমানোর চেষ্ঠা চালিয়েছিলো বলে জানান শহীদুল হুদার বড় মেয়ে।

তাঁর পরিবার জানিয়েছেন একদিন মামলার অন্যতম এক আসামী একটি ব্রিফকেস ভর্তি নগদ টাকার বিনিময়ে মামলার বাদিকে ম্যানেজ করতে তার বাসা অব্দি এসেছিলো। কিন্তু নির্লোভ বীরমুক্তিযোদ্ধা এডভোকেট শহীদুল হুদা সেই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে তাকে বাসা থেকে বের করে দেন।

প্রয়াত শহীদুল হুদার ছেলে বর্তমানে চট্টগ্রাম আদালতের এপিপি এডভোকেট এরশাদ হোসেন বলেন,” বাবা যখন খুব অসুস্থ ছিলেন তখন আজকের প্রধানমন্ত্রী প্রথমবার সরকার গঠনের পর বাবার সাথে সাক্ষাতে  সরাসরি বলেছিলেন, চাচা বলুন আপনার জন্যে কিছু কি করতে পারি?

আমার বাবা সেদিন বলেছিলেন, নেত্রী আমার তো সবই আছে৷ আপনি দেশের জন্যে যে কাজ শুরু করেছেন তা চালিয়ে যান। এরপর বাবাকে দেখতে হাসপাতালেও এসেছিলেন শেখ হাসিনা৷ তিনি বাবার শয্যাপাশে বসে বাবার সাথে নানান স্মৃতিকথায় মেতে ছিলেন। “