সাঈদুল রহমান সাকিব: চট্টগ্রাম নগরীর ইপিজেড এলাকাস্থ টিসিবির আঞ্চলিক প্রধানের কার্যালয়ে গিয়ে দেখা যায় ফ্যান চলছে, বাতিও জ্বলছে। তবে পুরো অফিসজুড়ে কোন কর্মকতাকে চোখে পড়েনি সিপ্লাসটিভির ক্যামেরায়।
চলমান লকডাউন আর রমজানকে ঘিরে নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্য সামগ্রীর দাম নির্ধারণ করে সাধারণ মানুষের ক্রয় ক্ষমতার মধ্যে রাখার জন্য সাশ্রয়ী মূল্যে নিত্যপণ্য বিক্রি শুরু করেছে ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি)।
তবে অধিকাংশ ডিলার নিজেদের ইচ্ছায় প্যাকেজ আকারে বিক্রি করছে টিসিবির পণ্য। আর প্যাকেজ মানে হচ্ছে আপনার প্রয়োজন হচ্ছে তৈল কিন্তু আপনি শুধু তৈল কিনতে পারবেন না সাথে চিনি, মসুর ডাল, খেজুর, ছোলা ও পেঁয়াজ মিলে একটি প্যাকেজ যা আপনার থেকে কিনতে হবে আর এই কারণে বিড়ম্বনায় পড়েছেন ক্রেতারা।
সরেজমিন গিয়ে দেখা যায়, এমএ সবুর এন্ড ব্রাদার্স জামাল খান এবং এসএস এন্টারপ্রাইজ কোতোয়ালী নামে দুই ডিলারের টিসিবির পণ্য চিনি, সয়াবিন তেল, মসুর ডাল, খেজুর, ছোলা ও পেঁয়াজ প্যাকেজ আকারে বিক্রি করছেন। যা প্রতি প্যাকেজ ৮০০থেকে ১০০০ টাকা।
এসময় টিসিবির পণ্য কিনতে আসা ক্রেতারই সিপ্লাসটিভির ক্যামেরা দেখে ট্রাকে থাকা বিক্রয়কর্মীর সাথে বাকবিতন্ডায় জড়িয়ে পড়েন( ফুটেজ) নিজেদের ব্যবসায়িক সুবিধায় ডিলাররা এভাবে ইচ্ছেমতো পণ্য বিক্রি করছেন। আর এতে ভোগান্তি পোহাচ্ছেন নিম্ন আয়ের ক্রেতাদের।
এ ব্যাপারে ইপিজেড এলাকাস্থ টিসিবির আঞ্চলিক প্রধানের কার্যালয় গিয়ে দেখা যায় ফ্যান চলে বাতি সব জ্বলছে তবে পুরো অফিসজুড়ে কোন কর্মকতা নেই। অথচ সরকারি অফিসে শেষ সময় বিকাল চার টা হলেও বেলা তিনটায় ভবনে কোন দেখা মিলেনি কোন কর্মকর্তার।
এবিষয়ে সচেতন নাগরিক সমাজ সনাকের চট্টগ্রাম মহানগর সভাপতি এডভোকেট আকতার কবির বলেন, এটি শুধু একটা ট্রাক নিয়ে মানুষের প্রতিক্রিয়া তুলে ধরেছি তবে চট্টগ্রামে ২২ টি ট্রাকে মোট ৩৬ টি স্পষ্ট বিক্রি হচ্ছে টিসিবির পণ্য তবে প্রত্যেকটির ট্রাকে একই অবস্থা। বলে জানিয়ে ক্রেতা

