সিপ্লাস প্রতিবেদক: চট্টগ্রামে সোমবার মধ্যরাতে ভারি বর্ষণের পর সকাল থেকেও থেমে থেমে বৃষ্টি হচ্ছে। আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, প্রাক মৌসুমি বায়ু ও লঘুচাপের প্রভাবে আরো কয়েকদিন বৃষ্টি হতে পারে।
মঙ্গলবার দুপুর ১২টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় বন্দর নগরীতে ১২৬ দশমিক ৮ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করেছে পতেঙ্গা আবহাওয়া অফিস।
এই রিপোর্ট লেখার সময়ও (বিকাল সাড়ে ৩টা) নগরীতে বিকট শব্দে বজ্রপাতের সাথে সাথে গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি হচ্ছিল।
তবে সোমবার গভীর রাত থেকে মঙ্গলবার ভোর পর্যন্ত ভারি বর্ষণ চললেও সে সময় ভাটা থাকায় নগরীতে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়নি।
চট্টগ্রাম আবহাওয়া অফিসের পূর্বাভাস কর্মকর্তা বিশ্বজিৎ চৌধুরী বলেন, “এখনও মৌসুমি বায়ু বাংলাদেশে শুরু হয়নি। এটা প্রাক মৌসুমি বৃষ্টিপাত বলা যায়। এভাবে থেমে থেমে আরও কয়েকদিন বৃষ্টির সম্ভাবনা আছে।”
আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, চট্টগ্রাম বিভাগের অনেক জায়গায় মঙ্গলবারও অস্থায়ীভাবে দমকা বা ঝড়ো হাওয়ার সাথে হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি ও বজ্রসহ বৃষ্টি চলতে পারে।
আবহাওয়ার পূর্বাভাস অনুযায়ী, মঙ্গলবার বিকেল ৫টার দিকে দিনের দ্বিতীয় জোয়ার শুরু হবে। সে সময় ভারি বৃষ্টি হলে জলাবদ্ধতার আশঙ্কা করছেন নগরীর বিভিন্ন এলাকার বাসিন্দারা।
দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতার সমস্যায় ভোগা চট্টগ্রামে ১০০ মিলিমিটারের কম বৃষ্টিপাতেও বেশিরভাগ সময় বিভিন্ন স্থানে জলবাদ্ধতা দেখা দেয়।
নগরীর বহদ্দারহাট, কাপাসগোলা, দুই নম্বর গেট, প্রবর্তক মোড়, চকবাজার, আগ্রাবাদ সিডিএ আবাসিক এলাকা, হালিশহরের কয়েকটি স্থানে বর্ষায় জলাবদ্ধতা নিত্য সঙ্গী।
শহরের জলাবদ্ধতা নিরসনে চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপকষ- সিডিএ’র অধীনে মেগা প্রকল্পের কাজ চলছে। ওই প্রকল্পের অধীনে নগরীর বিভিন্ন খালে বাঁধ দেওয়া হয়েছে।
সিডিএ’র খাল পুনঃখনন, সম্প্রসারণ, সংস্কার ও উন্নয়ন প্রকল্পটির কাজ শুরু হয় ২০১৭ সালের ১ জুলাই। ২০২০ সালের জুনে প্রকল্পের কাজ শেষ হওয়ার লক্ষ্য থাকলেও তা এখনও সম্ভব হয়নি।
আসন্ন বর্ষায় এসব বাঁধ জলাবদ্ধতার কারণ হতে পারে বলে শঙ্কা প্রকাশ করেছেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র এম রেজাউল করিম চৌধুরী। ১৫দিনের মধ্যে এসব বাঁধ সরাতে সিডিএকে আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।








