সিপ্লাস ডেস্ক: চট্টগ্রামের দুই ইপিজেড বা রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা বা শ্রমিকদের টিকা দেওয়া শুরু হয়েছে। গতকাল শনিবার সিভিল সার্জন সেখ ফজলে রাব্বি এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন । এ দিন চট্টগ্রাম ও কর্ণফুলী ইপিজেডের তিন হাজার শ্রমিককে করোনার টিকা দেন সিটি করপোরেশনের স্বাস্থ্যকর্মীরা।
চট্টগ্রাম নগরের দুটি ইপিজেডে ২ লাখ ২০ হাজার করোনার টিকার চাহিদা রয়েছে। তবে প্রথম ধাপে সবাই টিকার আওতায় আসছেন না। প্রথম ধাপে ৫০ হাজার শ্রমিককে টিকা দেওয়া হবে। সিভিল সার্জন সাংবাদিকদের জানান, যাঁরা সুরক্ষা অ্যাপে নিবন্ধন করেছেন, তাঁদের টিকা দেওয়া হচ্ছে।
গতকাল প্রথম দিনে চট্টগ্রাম ইপিজেডে সর্বোচ্চসংখ্যক টিকা নিয়েছেন প্যাসিফিক জিনস লিমিটেডের শ্রমিকেরা। এ কারখানার ১ হাজার ৮০০ শ্রমিককে টিকা দেওয়া হয়েছে।
প্যাসিফিক জিনস লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ মোহাম্মদ তানভীর বলেন, ‘আমাদের ৩০ হাজার শ্রমিকের মধ্যে ৩ হাজার শ্রমিক টিকা নিয়েছেন। সুরক্ষা অ্যাপে নিবন্ধন করেছেন আরও সাত হাজার শ্রমিক।’
চট্টগ্রাম ইপিজেডের মহাব্যবস্থাপক মশিউদ্দিন বিন মেজবাহ বলেন, চট্টগ্রাম ইপিজেডের ১৫১টি কারখানায় ১ লাখ ৬০ হাজার শ্রমিক কর্মরত। পর্যায়ক্রমে সবাইকে টিকার আওতায় আনা হবে।
এদিকে কর্ণফুলী ইপিজেডে গতকাল সর্বোচ্চসংখ্যক টিকা নিয়েছেন ক্যানপার্কের শ্রমিকেরা। ক্যানপার্কের ৩টি কারখানায় প্রায় ১১ হাজার শ্রমিক কর্মরত। কর্ণফুলী ইপিজেডের মহাব্যবস্থাপক এনামুল হক বলেন, ‘এই ইপিজেডে ৫০টি কারখানায় প্রায় ৭৫ হাজার শ্রমিক কাজ করেন। প্রথম দিন টিকা নিয়েছেন এক হাজার শ্রমিক। ইপিজেডে ১৮-২৫ বছর বয়সী অনেক শ্রমিক আছেন। তবে সরকারি নির্দেশনা না থাকায় এখনই তাঁদের টিকার আওতায় আনা যাচ্ছে না। এ ব্যাপারে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করছি আমরা।’








