সিপ্লাস ডেস্ক: ইনোভেটিভ আইডিয়ার পথিকৃৎ সিপিডিএল, বন্দর নগরী চট্টগ্রামে প্রথমবারের মত নির্মান করেছে সুসজ্জিত ‘স্মার্ট হাব’।
গতানুগতিক ধারায় বাহিরে চট্টগ্রাম তথা দেশের আবাসন শিল্পে সম্পূর্ণ নতুন ও ভিন্ন মাত্রার প্রকল্প গড়ার প্রত্যয় নিয়ে নির্মিত এই ‘স্মার্ট হাব’।
নগরীর জাকির হোসেন রোডের খুলশী এলাকায় ‘রহিম’স প্লাজা ডি সিপিডিএল’ ভবনে আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্ভোধনের মাধ্যমে ‘স্মার্ট হাব’-এর যাত্রা লগ্নের সূচনা করা হয়।
উক্ত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন আব্দুল মালেক হাউজিং সোসাইটির সভাপতি রইচ আহমদসহ অন্যান্য কর্মকর্তাবৃন্দ, ডিসেন্স আর্কিটেক্ট এর ম্যানেজিং পার্টনার তামজিদুল ইসলাম এবং সিপিডিএল পরিবারের কর্মকর্তাবৃন্দ।
খুলশী জাকির হোসেন রোডের আকর্ষনীয় লোকেশনে নির্মিত ‘রহিম’স প্লাজা ডি সিপিডিএল’ এর ১৬ তলা ভবনের ৬ষ্ঠ তলার পুরো ফ্লোর জুড়ে গড়ে উঠছে ‘স্মার্ট হাব’।
ব্যক্তি পর্যায়ের উদ্যোক্তা, স্থানীয় ও মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানী সমূহের লিয়াজোঁ অফিস, বিনিয়োগকারী ও আগ্রহী ব্যবসায়ীদের কথা মাথায় রেখে এ ‘স্মার্ট অফিস’ তৈরি করা হয়েছে। এতে অফিসের প্রয়োজনীয় সব সুবিধা মিলবে হাত বাড়ালেই।
‘স্মার্ট হাব’ ধারণা সম্পর্কে সিপিডিএল কর্তৃপক্ষের সাথে কথা বলে জানা যায়, ‘একটি অফিস সাধারণত বেসিক সিটিং স্পেস এর পাশাপাশি রিসিপশন, কনফারেন্স, ওয়েটিং লাউঞ্জ ইত্যাদি নানাধরনের অবস্থিতি’র সমন্বয়ে গড়ে উঠে। যার পুরোটা সব সময়ই হয়তো ব্যবহার হয়না। উদাহরণ স্বরূপ, অফিসের একটা বড় অংশ কনফারেন্স বা মিটিং রুম গুলো দখল করে রাখলেও সবসময় মিটিং হয় না।
উল্লেখ্য স্থান সমূহের ব্যবস্থাপনায় প্রত্যেকটির জন্য আলাদা করে লোকবলও নিয়োগ দিতে হয়। এতে ব্যবসায়ের খরচ অনেক বেড়ে যায়। কিন্তু একটি ‘স্মার্ট হাব’-এর মূল অংশটি শুধুমাত্র কর্মকর্তাদের বসার স্থান নিয়ে গড়ে উঠে, উল্লেখিত আনুষঙ্গিক স্থান সমূহ অংশীদার ভিত্তিতে সময় ও প্রয়োজন সাপেক্ষে ব্যবহৃত হয়, ফলে যতটুকু প্রয়োজন ততটুকু স্পেস নিয়েই গড়ে উঠে অফিসটি।
পরিচালন ব্যয় সকলের মাঝে আনুপাতিক হারে বন্টিত হওয়ার ফলে ব্যয় হ্রাস ঘটে ।
‘স্মার্ট হাব’-এ একইভাবে ১০টি আলাদা অফিস এর কনফারেন্স রুম, ডিলিং রুম, রিসিপশন থাকছে সমন্বিত। এতে প্রত্যেকটি অফিসের পরিচালন ব্যয় অনেকাংশে কমে আসবে।’

