নিউজটি শেয়ার করুন

চট্টগ্রামে ফার্মেসিসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানকে ভোক্তা অ‌ধিদপ্তরের ৭১ হাজার টাকা জরিমানা

চট্টগ্রামে ফার্মেসিসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানকে ভোক্তা অ‌ধিদপ্তরের ৭১ হাজার টাকা জরিমানা

সিপ্লাস প্রতিবেদক: মেয়া‌দোত্তীর্ণ খাদ্যপণ্য, অননু‌মো‌দিত এনা‌র্জি ড্রিংক, মেয়াদবিহীন ও মেয়া‌দোত্তীর্ণ ওষুধ বিক্রি করার দায়ে নগরীর বিভিন্ন এলাকায় ৯ ফার্মেসিকে ৭১ হাজার টাকা জরিমানা করেছে জাতীয় ভোক্তা অ‌ধিকার সংরক্ষণ অ‌ধিদপ্তর।

সোমবার(৫জুলাই) নগরীর জা‌কির হো‌সেন সড়ক, বেপা‌রিপাড়া, হা‌লিশহর ও বড়‌পোল এলাকার ৯ প্রতিষ্ঠানকে ৭১ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন ২০০৯ এর বিভিন্ন ধারায় এ অর্থদণ্ড করা হয়।

এ‌পি‌বিএন-৯ এর সহায়তায় প‌রিচালিত অভিযানে নেতৃত্ব দেন অ‌ধিদপ্তর বিভাগীয় কার্যাল‌য়ের উপপ‌রিচালক মোহাম্মদ ফ‌য়েজ উল্যাহ, সহকারী প‌রিচালক (‌মে‌ট্রো) পাপীয়া সুলতানা লীজা ও চট্টগ্রাম জেলা কার্যাল‌য়ের সহকারী প‌রিচালক মুহাম্মদ হাসানুজ্জামান।

মুহাম্মদ হাসানুজ্জামান জানান, বেপারিপাড়ায় মেয়া‌দোত্তীর্ণ পণ্য সংরক্ষণ ও আমদা‌নিকারক বিহীন বি‌দেশি পণ্য সংরক্ষণ করায় আজদা স্টোর‌কে  ৮ হাজার টাকা জ‌রিমানা করা হয়। বড়পোল মোড়ের আকতার স্টোরকে মূল্য তালিকা প্রদর্শন না করায় ২ হাজার টাকা, বেলাল স্টোর‌কে ৪ হাজার টাকা জরিমানাসহ সতর্ক করা হয়। আল মক্কা স্টোর‌কে বৈধ আমদানিকারক বিহীন পণ্য রাখায় ৫ হাজার টাকা জ‌রিমানা করা হয়।

এদিকে, আমদা‌নিকারক বিহীন বিদেশি পণ্য সংরক্ষণ, নি‌জে খুচরা মূল্য প্রদান, মোড়‌কে যথাযথ তথ্যবিহীন কৃত্রিম রংযুক্ত মট‌র বিক্রির জন্য সংরক্ষণ করায় জা‌কির হো‌সেন সড়কের আউট‌লেট সুপারশপ‌কে ২৫ হাজার টাকা জ‌রিমানাসহ সতর্ক করা হয়। সদাই ডিপার্টমেন্টাল স্টোরকে অননুমোদিত এনা‌র্জি ড্রিংক সংরক্ষণ করায় ৫ হাজার টাকা জ‌রিমানাসহ এসব পানীয় ধ্বংস করা হয়। বিএম ফা‌র্মেসি‌কে অননু‌মো‌দিত ওষুধ, মেয়া‌দোত্তীর্ণ ওষুধ ও মেয়াদবিহীন কাটা ওষুধ সংরক্ষণ করায় ১৫ হাজার টাকা জ‌রিমানাসহ জনস্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর ওষুধ ধ্বংস করা হয়। খুলশী ড্রাগ হাউসকে মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ সংরক্ষণ করায় ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

অভিযানকা‌লে ক্রেতা-বি‌ক্রেতা‌দের মাস্ক পরে নিরাপদ শারী‌রিক দূরত্ব বজায় রাখার এবং কেনাকাটায় প্রতা‌রিত হ‌লে অ‌ধিদফতরের হটলাইনে (নম্বর ১৬১২১ ) অ‌ভি‌যোগ জানা‌তে অনু‌রোধ জানানো হয়। জনস্বা‌র্থে এ কার্যক্রম অব্যাহত থাক‌বে বলে জানান মুহাম্মদ হাসানুজ্জামান।