নিউজটি শেয়ার করুন

‘চট্টগ্রামে যেকোন মুহুর্তে ভারতীয় ভেরিয়েন্ট ছড়িয়ে পড়তে পারে’

জিয়াউল হক ইমন: চট্টগ্রামে এখন পর্যন্ত প্রতিবেশী দেশ ভারতে সংক্রমণের তুঙ্গে থাকা করোনাভাইরাসের ‘ভারতীয় ভেরিয়েন্ট’ এর অস্তিত্ব পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছেন চট্টগ্রামের সিভিল সার্জন ডা. সেখ ফজলে রাব্বি। তবে আশংকা প্রকাশ করে তিনি বলেন, চিকিৎসা নিতে যাওয়া ভারত থেকে ফেরতদের মাধ্যেমে ‘যেকোন মুহুর্তে ‘ভারতীয় ভেরিয়েন্ট’ ছড়িয়ে পড়তে পারে।

বৃহস্পতিবার (২৭ মে) বিকালে নিজ কার্যালয়ে সিপ্লাসকে এই তথ্য জানান সিভিল সার্জন।

সিভিল সার্জন বলেন, বহু কারণে বন্দর নগরী চট্টগ্রামে করোনা ঝুঁকি বেশী। আর এসময়ে ভারতীয় ভেরিয়েন্ট চট্টগ্রামে ঢুকে পড়লে ভয়াবহ অবস্থা হতে পারে কেননা এটা উচ্চ সংক্রমণশীল। এটিতে আক্রান্ত হলে মৃত্যু ঝুঁকি বেশী থাকে। সিভিল সার্জনের বিস্তারিত বক্তব্য জানতে নিচে দেওয়া ইউটিউব লিঙ্কে ক্লিক করুন।

একই দিন সরেজমিনে চট্টগ্রামে জেনারেল হাসপাতালের করোনা ইউনিটে গেলে দেখা যায় বেশীর ভাগ বেডেই রোগী শূন্য।

রোগীর স্বজন জসিম উদ্দিন জানান, ‘আমার মা যমুনা বেগম(৬৫) ফুসফুসে ৬৫ ভাগ আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়। এখন হাসপাতালের আন্তরিকতায় অনেকটা সুস্থ’।

হাসপাতালে দায়িত্বরত নার্সরা জানান, আন্তরিক সেবা দিয়ে রোগী সুস্থ করতে সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।

মেডিকেল অফিসার ডা. মো. জাহাঙ্গীর আলম জানান, প্রথমে রোগীদের অক্সিজেন সেচুরেশন দেখে  চিকিৎসেবা শুরু করি। আমরা প্রতিটি রোগীকে চিকিৎসা সেবা দিয়ে সুস্থ করতে আপ্রাণ চেষ্টা চালায় যাচ্ছি ।

গত ২৪ ঘন্টায় চট্টগ্রাম সিভিল সার্জেনের তথ্য অনুযায়ী (২৭মে পর্যন্ত ) চট্টগ্রাম নগরী ও উপজেলায় নমুনা দিয়েছেন ১হাজার ৭৯ জন, যার মধ্যে আক্রান্ত হয়েছে ৯৯ জন ও সুস্থ হয়ে বাড়ী ফিরেছে ৮০ জন এবং কোয়ারাইন্টাইনে আছে ৩১ জন।

২০২০ সালের ৪টা এপ্রিল থেকে আজ পর্যন্ত চট্টগ্রাম নগরী ও উপজেলায় মোট নমুনা দিয়েছেন ৪ লক্ষ ৬১ হাজার ৮শ ৫৯ জন, আক্রান্ত হয়েছে ৫২ হাজার ৯শ ৭১ জন, সুস্থ হয়েছেন ৩৯ হাজার ৩শ ৬৭ জন, কোয়ারাইন্টাইনে ছিল ৯ হাজার ৫শ ১২ জন, আইশোলেশনে ছিল ২হাজার ৪শ ৬ জন। মারা গেছেন ৬০৪ জন।

চট্টগ্রামে বর্তমানে সরকারী-বেসরকারী হাসপাতালের করোনা ইউনিটে শয্যা সংখ্যা ১৬শ যার মধ্যে রোগী ভর্তি আছে ৩ শ৫৬ জন ( বৃহস্পতিবার পর্যন্ত) শয্যা খালি আছে ১২শ ৪৪টি ।

আরো বিস্তারিত জানতে নিচে দেওয়া ইউটিউব লিঙ্কে ক্লিক করুন।