নিউজটি শেয়ার করুন

চট্টগ্রামে স্বাস্থ্য সুরক্ষায় বসানো জীবাণুনাশক টানেলগুলো অচল

সিপ্লাস প্রতিবেদক: করোনা পরিস্থিতির প্রথম থেকে জনসাধারণকে জীবাণুমুক্ত রাখতে সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান আর শপিং মলে বসানো হয়েছিল জীবাণুনাশক চেম্বার। কিন্তু এখন করোনার দ্বিতীয় ধাপ শুরু হলে চট্টগ্রামের বিভিন্ন শপিং মলের সামনেও সরকারি বেসরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সমানে বসানো জীবানুনাশক চেম্বার গুলো এখন পুরোপুরি অচল।
এছাড়াও করোনার প্রথমদিকে নগরীর অভিজাত শপিং মলগুলোতে জীবানুনাশক এই চেম্বার বসানো হলেও এখন তার কোন অস্থিত্ব নেই।
আজ সকালে চট্টগ্রামের মিমি সুপার মার্কেট ও আখতারুজ্জামান সেন্টারসহ বিভিন্ন শপিং মল ঘুরে দেখা গেছে  প্রবেশ মুখে থাকা জীবাণুনাশক চেম্বারগুলো বন্ধ থাকতে দেখা গেছে। আর আমিন সেন্টারে বসানো টানেলটির ভিতরের প্রবেশমুখ ও বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। চট্টগ্রাম ওয়াসা ও সিটি কর্পোরেশনের প্রবেশ মুখে বসানো হলওে তা এখন বন্ধ । তবে প্রবেশমুখে বসানো এসব জীবাণুনাশক টানেল কতটুকু কার্যকর তা নিয়ে উঠেছে নানান প্রশ্ন।
ক্রেতারা জানান, আমরা আসলে পরিপূর্ণ ঝুকির মধ্যেই আছি। শুধু মার্কেট নয়, সকল গণ পরিবহনে এখন করোনার ঝুকি বেড়ে চলছে। প্রতিষ্ঠানগুলো যদি পূর্বের ন্যায় উদ্যোগ গ্রহণ না করেন তাহলে মহামারী রূপ ধারণ করতে পারে।
মিমি সুপার মার্কেট আর আখতারুজ্জামান সেন্টারের দোকান মালিক সমিতির নেতৃবৃন্দ জানান, গত ২ সপ্তাহ যাবৎ বন্ধ করা হয়েছে চেম্বার। ক্রেতারা চেম্বার ব্যবহার করতে অনিচ্ছুক। ৮০ শতাংশ ক্রেতা বলছেন চেম্বার বন্ধ রাখতে এবং ২০ শতাংশ ক্রেতা বলছেন চেম্বার খোলা রাখতে। আমরা পরিস্থিতি স্বাভাবিক আছে ভেবে বন্ধ রেখেছি। আগামীতে প্রয়োজন মনে হলে আবার চালু করবো।
আখতারুজ্জামান সেন্টার দোকান মালিক সমিতির সভাপতি জানান, যে সকল মেশিন স্থাপন করা হয়েছে তা পানির আয়রনের জন্য বন্ধ হয়ে যায়। আয়রন পরিস্কার করতে ২/৫ দিন সময় লাগে। আগামী শুক্রবার দোকান মালিকের মিটিং এর পরে মাস্ক এবং হাত ধোয়ার ব্যবস্থা এবং অতি শীঘ্রই মেশিনগুলো চালুর ব্যবস্থা করা হবে। প্রবেশ মুখে স্বাস্থ্য সুরক্ষায় বসানো এই জীবাণুনাশক টানেলগুলো দ্রত চালু করার প্রতিশ্রুতি দেন সিপ্লাসকে।