Site icon CPLUSBD.COM

চট্টগ্রাম কাস্টম হাউস এর ৫০টি লটের বড় নিলাম ২৮ ফেব্রুয়ারি

সিপ্লাস প্রতিবেদক: চট্টগ্রাম কাস্টম হাউস বছরের চতুর্থ নিলামের আয়োজন করা হয়েছে। বছরের চতুর্থ নিলামে চট্টগ্রাম বন্দরের বিভিন্ন ইয়ার্ডে থাকা ৫০ টি লট নিলামে তুলেছে চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউস।

এই নিলামের মোট ৫০টি লটের মধ্যে রয়েছে ফোর স্ট্রোক ইঞ্জিনের ১৮০টি তিন চাকার পিয়াজিও এপিই মাধ্যমে সিএনজি ট্যাক্সি, কম্বল, পলেস্টার, নিট, রেয়ন ও ডেনিমের প্রায় ৫৭টন গার্মেন্টস কাপড়, ফার্নিচার, খালি প্লাস্টিক বোতল, ডায়েরি ও ক্যালেন্ডার, স্টিকার ও সিকিউরিটি ট্যাগ, প্লাস্টিক হ্যাঙ্গার ও ক্লিপ, ওয়াল টাইলস, মেশিনারিজ, টেক্সটাইল কেমিক্যাল, রেকসিন ক্লথ ইত্যাদি।

বিভিন্ন সময়ে চট্টগ্রাম বন্দরে আমদানি করা এসব পন্য খালাস না হওয়ায় নিয়ম অনুযায়ী নিলামে তুলে বিক্রি করছে চট্টগ্রাম কাস্টমস। এই সব পণ্যের চালানগুলো দিয়েই বছরের বড় ধরনের নিলাম করতে যাচ্ছে চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউস।

গত ২২ ফেব্রুয়ারি সোমবার শুরু হয়েছে নিলামের দরপত্র ও ক্যাটালগ বিক্রি চলবে ২৭ ফেব্রুয়ারি শনিবার বিকাল ৫টা পর্যন্ত। নিলামের ক্যাটালগ ও দরপত্র জমা দেওয়া যাবে ২৮ ফেব্রুয়ারি রবিবার নিলামের দিন দুপুর ২টা পর্যন্ত। এর ত্রিশ মিনিট পর দুপুর আড়াইটায় ঢাকা ও চট্টগ্রামে একযোগে নিলামের বক্স খোলা হবে।

নিলামের দরপত্র ও ক্যাটালগ পাওয়া যাবে বরাবরের মতো সরকারি নিলাম পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান মেসার্স কে এম কর্পোরেশন প্রধান কার্যালয়, ৩০৬, স্ট্যান্ড রোড, মাঝিরঘাট, চট্টগ্রাম এবং বন্দর স্টেডিয়াম এর বিপরীতে কাস্টম অকশন শেড থেকে। এছাড়া ঢাকার দরদাতারা ৮০, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকার ঠিকানা থেকেও ক্যাটালগ ও দরপত্র সংগ্রহ করতে পারবেন। জমা দেওয়া যাবে চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউসের নিলাম শাখায় ও চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসন কার্যালয়ে। এছাড়া ঢাকার কাকরাইলে অবস্থিত শুল্ক আবগারি ও ভ্যাট কমিশনারেটের যুগ্ম-কমিশনার (সদর) এর দপ্তরেও দরপত্র জমা দেওয়া যাবে।

উল্লেখ্য, আমদানিকৃত পণ্য জাহাজ থেকে বন্দর ইয়ার্ডে নামার ৩০ দিনের মধ্যে সরবরাহ নিতে হয়। এই সময়ের মধ্যে কোনো আমদানিকারক পণ্য সরবরাহ না নিলে তাকে নোটিশ দেয় কাস্টম হাউজ। আর নোটিশের ১৫ দিনের মধ্যে খালাস না করলে তা নিলামে তুলতে পারে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ। এছাড়া মিথ্যা ঘোষণায় আনা জব্দ করা পণ্যও নিলামে তোলা যায়।

সর্বমোট ৪৫ দিনের মধ্যে নিলামে তোলার বিধান থাকলেও এটা কখনো কার্যকর করতে পারেনি কাস্টমস। নিলামটি সম্পন্ন হলে কাস্টম হাউসের রাজস্ব আয় বাড়ার সাথে সাথে চট্টগ্রাম বন্দরের কনটেইনার জট কমবে।