Site icon CPLUSBD.COM

চট্টগ্রাম বন্দরে চীনফেরত জাহাজের সাত নাবিকের করোনার উপসর্গ, পণ্য খালাস বন্ধ

চট্টগ্রাম বন্দরে চীনফেরত জাহাজের সাত নাবিকের করোনার উপসর্গ

ছবি: সংগৃহীত

সিপ্লাস প্রতিবেদক: সাত নাবিকের করোনা উপসর্গ দেখা দেওয়ায় চট্টগ্রাম বন্দরে ডিএপি সার নিয়ে আসা ‘এমভি সেরিন জুনিপার’ নামের একটি জাহাজকে সাগরে ১৪ দিনের কোয়ারেন্টিন রাখা হয়েছে। ১৯০ মিটার লম্বা, ১১ দশমিক ১ মিটার ড্রাফটের (জাহাজের পানির নিচের অংশ) জাহাজটি বর্তমানে বন্দরের বহির্নোঙরের আলফা অ্যাংকরেজ এলাকায় রয়েছে।

রোববার (২২ আগস্ট) বিষয়টি  নিশ্চিত করেন বন্দর সচিব মো. ওমর ফারুক।

চীনের ন্যানটং বন্দর থেকে আসা জাহাজটির নাম এমভি সেরেন জুনিপার। বাহামার পতাকাবাহী জাহাজটিতে ৪৬ হাজার ৩০০ টন ডিএপি সার রয়েছে। ১২ আগস্ট জাহাজটি বন্দর জলসীমায় পৌঁছায়। এটি এখন বন্দরের বহির্নোঙরে রয়েছে।

জানতে চাইলে সহকারী বন্দর স্বাস্থ্য কর্মকর্তা মো. নুরুল আবছার আজ রোববার বলেন, জাহাজের ক্যাপ্টেন স্থানীয় শিপিং এজেন্টের মাধ্যমে নাবিকদের করোনার উপসর্গ থাকার বিষয়টি অবহিত করেছেন। এরপরই সাগরে অবস্থানরত জাহাজে স্বাস্থ্যকর্মী পাঠিয়ে নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। পরীক্ষার ফলাফলের পর পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তিনি জানান, সাত নাবিকের করোনার উপসর্গ থাকায় জাহাজের সব নাবিককে ১৪ দিনের কোয়ারেন্টিনে থাকার নির্দেশনা দিয়েছেন বন্দর স্বাস্থ্য কর্মকর্তা। এরপর চীনফেরত ওই জাহাজ থেকে পণ্য খালাস বন্ধ রয়েছে। গত ১৯ আগস্ট থেকে জাহাজটির কোয়ারেন্টিন শুরু হয়েছে।

বন্দর সূত্রে জানা গেছে, বাহামার পতাকাবাহী জাহাজটিতে ২১ জন নাবিক রয়েছেন। এর মধ্যে ১৬ জন ফিলিপাইনের, ৩ জন ইউক্রেনের, ১ জন রাশিয়ার ও ১ জন রোমানিয়ার। এর মধ্যে ১২ জনের করোনা উপসর্গ দেখা দিয়েছে। সর্বশেষ সিঙ্গাপুর বন্দর হয়ে আসা জাহাজটিতে ২২ হাজার ২৩৪ টন ডিএপি সার রয়েছে। ১২ আগস্ট জাহাজটি বন্দরের বহির্নোঙরে পৌঁছে। ক্যাপ্টেন শিপিং এজেন্টের মাধ্যমে নাবিকদের করোনার উপসর্গ থাকার বিষয়টি জানালে সাগরে অবস্থানরত জাহাজে স্বাস্থ্যকর্মী পাঠিয়ে সব নাবিকের নমুনা সংগ্রহ করা হয়। পরীক্ষার ফলাফলের পর পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।