সিপ্লাস প্রতিবেদক: চট্টগ্রাম বন্দর থেকে ১৯টি বেসরকারি ডিপোতে ছয় ধরনের আমদানি পণ্যবাহী কন্টেইনার সরানোসহ ঢাকার কমলাপুরমুখী কন্টেইনার নৌপথে মুন্সীগঞ্জে সামিট এলায়েন্সের জেটিতে নেওয়ার আদেশ দিয়েছে রাজস্ব বোর্ড।
রাজস্ব বোর্ডের দ্বিতীয় সচিব মেহরাজ উল আলম স্বাক্ষরিত এ আদেশ অনুযায়ী, আগামী ৩০ জুন পর্যন্ত এ সিদ্ধান্ত বলবৎ থাকবে।
করোনাভাইরাস সঙ্কটে অর্থনীতিতে স্থবিরতার মধ্যে চট্টগ্রাম বন্দরে কন্টেইনার জট হওয়ার পরিপ্রেক্ষিতে এই উদ্যোগ নিল এনবিআর।
চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে আমদানি হওয়া ৩৮ ধরণের পণ্যবাহী কন্টেইনার আগে ডিপোতে নিয়ে খালাস করা হত। নতুন আদেশের প্রেক্ষিতে এ সংখ্যা ৪৪ হল।
চট্টগ্রাম বন্দর সচিব ওমর ফারুক বলেন, “নতুন আদেশ পেয়েছি। সে অনুয়ায়ী ৩৮ ধরণের আমদানি পণ্যের সঙ্গে নতুন ছয় ধরনের পণ্যের কন্টেইনারও বন্দর থেকে ডিপোতে সরিয়ে নেওয়ার কাজ শুরু হচ্ছে।”
করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবে ২৬ মার্চ থেকে সাধারণ ছুটি ঘোষণার পর চট্টগ্রাম বন্দর এলাকা থেকে পণ্য খালাসের হার কমে যায়।
গত ১৪ এপ্রিল চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজে অনুষ্ঠিত এক সভায় বেসরকারি ডিপোতে কন্টেইনার সরিয়ে নেয়ার বিষয়টি আলোচনা হয়। এ সুপারিশ বাস্তবায়নের জন্য নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ে সুপারিশ পাঠায় বন্দর কর্তৃপক্ষ। নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় তা বাস্তবায়নে রাজস্ব বোর্ডকে অনুরোধ করে।
নতুন আদেশ অনুযায়ী ডিপোতে সরিয়ে নেয়া যাবে এমন নতুন ছয় ধরনের পণ্য হল- সব ধরনের বীজ, ফাইবার, ওষুধ, ব্লক লিস্টেড পণ্য, আমদানি করা সুতা, টায়ার কর্ড ও কীটনাশক জাতীয় পণ্য।
চট্টগ্রাম বন্দর সচিব ওমর ফারুক জানান, চট্টগ্রাম বন্দর ইয়ার্ডে জমে থাকা কন্টেইনারের পরিমাণ ৪৮ হাজার ৬৬৮ টিইইউস (প্রতিটি ২০ ফুট দৈর্ঘ্যের)।
অথচ চট্টগ্রাম বন্দরে ধারণ ক্ষমতা ৪৯ হাজারের কিছু বেশি।
শনিবার বন্দর থেকে বেরিয়েছে ৫৫৮টি কন্টেইনার। একদিনে কন্টেইনার হ্যান্ডলিং হয়েছে তিন হাজার ৮৮৬টি। বন্দরের জেটিতে এখন কন্টেইনারবাহী জাহাজ আছে ১১টি, কার্গো জাহাজ আছে চারটি এবং ক্লিংকারবাহী জাহাজ আছে দুটি।








