নিউজটি শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম শহরের ৭ এলাকাকে “উচ্চ সংক্রমণশীল” এলাকা ঘোষণা

সিপ্লাস প্রতিবেদক: করোনা ভাইরাসের বিস্তার রোধে বন্দরনগরী চট্টগ্রামের ৭ এলাকাকে “উচ্চ সংক্রমণশীল” এলাকা ঘোষণা করেছে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ (সিএমপি)।

সোমবার(১৯এপ্রিল) সিএমপি কর্তৃপক্ষ নগরীর চকবাজারের জয়নগর ১ নম্বর গলি, খুলশি থানার ১৩ নম্বর ওয়ার্ডের এসবি নগর, ওয়ার্লেস, কুসুমবাগ আবাসিক এলাকা, ১৪ নম্বর লালখানবাজার ওয়ার্ডে টাংকির পাহাড়, বাঘঘোনা, হাইলেভেল রোড এ সাত এলাকাকে রেড জোন ঘোষণা করে। পরে রেডজোন শব্দটির জটিলতার কারণে ঐ এলাকাকে “উচ্চ সংক্রমণশীল” ঘোষণা করা হয়।

সিএমপি জানায়, অতি প্রয়োজন ছাড়া “উচ্চ সংক্রমণশীল” এলাকার অধিবাসীরা ঘরের বাইরে যেতে পারবে না ।

এছাড়াও করোনা ভাইরাসের বিস্তার প্রতিরোধে চট্টগ্রাম নগরীকে আবারো রেড-ইয়লো-গ্রিন জোনে ভাগ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে প্রশাসন । করোনা দ্রুত বিস্তার রোধে ১৯ এপ্রিল সোমবার সকাল থেকে মাঠে নেমেছে প্রশাসন।

করোনা ভাইরাস দ্বিতীয়বারের মত হানা দেওয়ায় সরকার গত ৮ এপ্রিল লকডাউনের সিদ্ধান্ত নেয় । অবস্থার প্রেক্ষিতে ১৪ তারিখ থেকে আবারো সর্বাত্মক লকডাউনের ঘোষণা দেয়।

কিন্তু সব ধরণের সুরক্ষাব্যবস্থাকে বুড়ো আঙ্গুল দেখিয়ে সংক্রমন ও মৃত্যুর হার উভয়ই সমানতালে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে ।

সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনায় মৃত্যুবরণ করেছে ১০২ জন ও পজিটিভ শনাক্ত হয়েছে ৩ হাজার ৬৯৮ জনের শরীরে । এরমধ্যে চট্টগ্রামে করোনায় নতুন শনাক্তের সংখ্যা ২৯৩ জন ও মৃতের সংখ্যা ৫ জন। গত এক সপ্তাহের চিত্র পর্যবেক্ষণে সংক্রমণ ও মৃত্যুর হার উর্ধ্বমুখি । পরিস্থতি নিয়ন্ত্রণে সিএমপি শনাক্তের হার বিবেচনায় নগরীকে আবারো রেড-ইয়লো-গ্রিন এই তিন জোনে ভাগ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

যেসব এলাকায় প্রতি এক লাখে ৬০ জনের অধিক করোনা শনাক্ত পাওয়া যাবে তা রেড জোন হিসেবে চিহ্নিত করা হবে। প্রতি লাখে ৩ থেকে ৫৯ জন শনাক্ত হলে ইয়লো জোন এবং প্রতি লাখে ৩ জনের কম হলে গ্রিন জোন হিসেবে চিহ্নিত করা হবে।

সোমবার বিকালে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের দক্ষিণ বিভাগের সহকারী কমিশনার(ডিসি) বিজয় বসাক বলেন, সংক্রমণ রোধে আমরা পুরো নগরীকে উচ্চ সংক্রমনশীল (রেড জোন), সংক্রমণশীল বা উচ্চ সংক্রমনশীল নয়(ইয়লো জোন) ও নিম্ন সংক্রমনশীল(গ্রিণ জোন) এ তিন ভাগে ভাগ করা হয়েছে । অতি প্রয়োজন ছাড়া রেড জোনের অধিবাসী ঘরের বাইরে বের হতে পারবে না । প্রয়োজনে মহল্লার বা এলাকার অনুমতি সাপেক্ষে পুলিশ বাহিনীর সদস্যরা সব ধরনের সহযোগিতা করবেন ।

পরে চকবাজার থানার ওসি আতাউর রহমান সিপ্লাসকে বলেন, রেডজোন যাকে বলা হয়েছে সেগুলো মূলত “উচ্চ সংক্রমণশীল” এলাকা।

এলাকা গুলোতে লাগানো “রেডজোন” ব্যানারগুলো পরিবর্তণ করে ”উচ্চ সংক্রমণশীল এলাকা” ব্যানার লাগানো হচ্ছে বলেও জানান।