টঙ্গী রেলওয়ে জংশনে যাত্রীবাহী চট্টলা এক্সপ্রেসে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটলেও তাৎক্ষণিকভাবে নিভিয়ে ফেলায় কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।
শনিবার বিকাল সোয়া ৪টার দিকে টঙ্গী জংশনের ৩ নম্বর প্লাটফর্মে ৪ নম্বর লাইনে এই দুর্ঘটনা ঘটে। অল্প সময় পর ট্রেনের লোকজন, স্থানীয় বাসিন্দা ও ফায়ার সার্ভিস এসে আগুন নেভায়।
ট্রেনের চালক রফিকুল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, ‘ট্রেনটি সকাল সোয়া ৮টার দিকে চট্টগ্রাম থেকে ঢাকার উদ্দেশে ছেড়ে যায়। টঙ্গীতে স্টপেজ না থাকলেও লাল বাতির সংকেত পেয়ে বিকেল সোয়া ৪টার দিকে টঙ্গী জংশনে যাত্রাবিরতি করে। এ সময় ট্রেনের ইঞ্জিনের পাশে থাকা ব্যাটারি বক্স থেকে ধোঁয়া বেরুতে দেখে দ্রুত নিজেদের ফায়ার এক্সটিংগুইশার এবং স্টেশনের লোকজন আশপাশের দোকান থেকে পানি নিয়ে আগুন নেভায়।‘ বিডিনিউজ
টঙ্গী ফায়ার স্টেশনের সিনিয়র স্টেশন মাস্টার মো. আতকুর রহমান বলেন, ‘খবর পেয়ে টঙ্গী ফায়ার স্টেশন থেকে তিনটি ইউনিটের দমকল কর্মীরাও ঘটনাস্থলে যান। দমকল কর্মীরা ঘটনাস্থলে যাওয়ার আগে ট্রেনের স্টেশনের লোকজন ও স্থানীয়রা আগুন নেভানোর চেষ্টা চালান। পরে দমকলকর্মীরা আগুন নেভান।’
তিনি বলেন, ‘আগুনে ট্রেনটির কয়েকটি ব্যাটারি ক্ষতিগ্রস্থ হলেও অন্য কোনো ক্ষয়ক্ষতি হয়নি এবং কেউ আহত হননি। ব্যাটারির শর্ট সার্কিট থেকে অগ্নিকান্ডের সূত্রপাত ঘটে।’
টঙ্গী রেলওয়ে জংশন পুলিশ ফাঁড়ির এসআই মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘ট্রেনের ইঞ্জিন এলাকা থেকে ধোঁয়া বেরুতে দেখে স্থানীয় পান ও তরকারি দোকানীরা ও ট্রেনের লোকজন পানি দিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা চালান। পরে ফায়ার স্টেশনের কর্মীরা আগুন নেভান। জংশনে একাধিক লাইন থাকায় অন্য কোনো ট্রেন চলাচল বিঘ্নিত হয়নি।‘
তিনি জানান, সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত ট্রেনটি যাত্রী নিয়ে টঙ্গী জংশন ত্যাগ করেনি। এ বিষয়ে ঢাকায় খবর পাঠানো হয়েছে। ব্যাটারি পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।’








