চন্দনাইশ প্রতিনিধি: চন্দনাইশে হাইকোর্টের নির্দেশে চলমান পরিবেশ অধিদপ্তরের অভিযানে উপজেলার জোয়ারা ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ড দক্ষিন কাঞ্চননগর পুতুন তালুকদার বাড়ী ও সাইর মোহাম্মদ পাড়া এলাকায় ৫ম বারের মতো অবৈধ ২টি ইটভাটা ধ্বংস করেছে পরিবেশ অধিদপ্তর ও চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসন।
পর্যায়ক্রমে উপজেলার সকল অবৈধ ইটভাটা ধ্বংস করার কথা জানিয়েছেন পরিবেশ অধিদপ্তর ও জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারা।
মঙ্গলবার (৯ মার্চ) জেলা প্রশাসন ও পরিবেশ অধিদপ্তর যৌথভাবে এ অভিযান চালায়।
সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত একটানা অভিযানে উপজেলার জোয়ারা ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ড দক্ষিন কাঞ্চননগর পুতুন তালুকদার বাড়ী ও সাইর মোহাম্মদ পাড়া এলাকার দুইটি অবৈধ ইটভাটা গুঁড়িয়ে দেয়া হয়।
ইটভাটাগুলো হল, মেসার্স আয়াজ ব্রিকস ম্যানুঃ (এবিএম) ও মেসার্স খাজা ব্রিকস ম্যানুঃ (৫বিএম)।
স্কেভেটর ও ফায়ার সার্ভিস এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর উপস্থিতিতে ভ্রাম্যমাণ আদালতের জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আশরাফুল হাসান ও পরিবেশ অধিদপ্তর চট্টগ্রাম জেলা কার্যালয়ে সহকারী পরিচালক নাজনীন সুলতানা নীপা এর নির্দেশে ইটভাটার কাঁচা ইট ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা পানি দিয়ে ধ্বংস করে। ইট পোড়াবার জন্য সাঁজিয়ে রাখা পুরো ভাটার চিমনী ও কিলন স্কেভেটর দিয়ে ভেঙ্গে গুঁড়িয়ে দেয়া হয়।
পরিবেশ অধিদপ্তর, র্যাব-৭, জেলা ও চন্দনাইশ থানা পুলিশ, আনসার ও ফায়ার সার্ভিসের কর্মীদের সহায়তায় এ অভিযানে নেতৃত্ব দেন জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আশরাফুল হাসান ও পরিবেশ অধিদপ্তর চট্টগ্রাম জেলা কার্যালয়ে সহকারী পরিচালক নাজনীন সুলতানা নীপা এবং গবেষণাগার সহকারী মো. মাহমুদুল হাসান।
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আশরাফুল হাসান ও চট্টগ্রাম জেলা পরিবেশ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক নাজনীন সুলতানা নীপা সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, পরিবেশ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী চন্দনাইশে মোট ৩২ টি ইটভাটা রয়েছে। এরমধ্যে শুধু ৫টির পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র রয়েছে। বাকি ২৭টিতে ছাড়পত্র নেই। অভিযানে অবৈধ ২টি ইটভাটা ধ্বংস করা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে সবগুলো ইটভাটা ভেঙ্গে দেয়া হবে। ইট প্রস্তুত ও ভাটা স্থাপন আইন ২০১৩ (সংশোধিত ২০১৯) অনুযায়ী জেলা প্রশাসন কার্যালয়ের লাইসেন্স, পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র, বন বিভাগের ছাড়পত্র প্রয়োজন হয়। চট্টগ্রামের বিভিন্ন উপজেলায় জেলা প্রশাসন কার্যালয়ের লাইসেন্সবিহীন অবৈধ ইটভাটা পরিচালিত হচ্ছে। এসব অবৈধ ইটভাটার বিরুদ্ধে অধিদপ্তরের নিয়মিত কার্যক্রম হিসেবে অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে।








