নিউজটি শেয়ার করুন

চন্দনাইশে জশনে জুলুছ ও ১২ দিন ব্যাপি ঈদে মিলাদুন্নবী (স.) মাহফিল সম্পন্ন

চন্দনাইশ উপজেলার ঐতিহ্যবাহী কাঞ্চননগর জাঁহাগিরিয়া শাহসুফি মমতাজিয়া দরবার শরীফ প্রাঙ্গন থেকে (৮ নভেম্বর) শুক্রবার সকাল ৯ টায় সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ নবী হযরত মুহাম্মদ (স.) এর শুভ আগমনে ঈদে মিলাদুন্নবী (স.) ও জশনে জুলুছে এর শোভাযাত্রা অনুষ্টান ও আখেরী মোনাজাতের মধ্য দিয়ে ১২ দিনের ঈদে মিলাদুন্নবী মাহফিল সম্পন্ন হয়েছে।

কাঞ্চননগর শাহসুফি দরবার শরীফ থেকে রোশনহাট, বিজিসি ট্রাস্ট, বাদামতল, পাক্কা দোকান, বধুরপাড়া রাস্তার মাথা, গাছবাড়িয়া কলেজ, খানহাট, গাছবাড়িয়া স্কুল হয়ে শোভাযাত্রাটি দরবার শরীফের মাঠে এসে শেষ হয়।

১২ দিনব্যাপী ঈদে মিলাদুন্নবী (স.) মাহফিলের সমাপনী অনুষ্ঠানে আখেরী মুনাজাত পরিচালনা করবেন মাহফিল ও জুলুছের সভাপতি, পীরে তরিকত, জাঁহাগিরিয়া মমতাজিয়া দরবার শরীফের সাজ্জাদানেশীন হযরত আল্লামা শাহছুফি সৈয়্যদ মোহাম্মদ আলী মমতাজী (মঃজিঃআঃ)। জুলুছে হাজার হাজারের ও বেশি মমতাজিয়া দরবারের ভক্ত, মুরিদ, আশেকান নবী প্রেমিক উপস্থিত ছিলেন। সভাপতির বক্তব্যে পীর সাহেব গা্উসে জামান, ইমামে আশেক ই রাসূল (দ.), নূরে জাহাঁগিরি, হযরত শাহসুফি আলহাজ্ব সৈয়্যদ মাওলানা মোহাম্মদ আলী ( ম জি আ) বলেছেন, রাসূল করিম (স.) পৃথিবীতে আগমন ছিল মানবতার মুক্তির জন্য।

মহান আল্লাহর পরিপূর্ণ ধর্ম দ্বীন ইসলামকে রাসূল করিম (স.) এর মাধ্যমে মানুষের কাছে পৌঁছে দিয়েছেন। মানবতার মুক্তির জন্য রাসূল (স.) অগ্রদূত হিসেবে কাজ করেছেন। পবিত্র কোরআন ও হাদিস শরীফ চর্চার মাধ্যমে দ্বীন ইসলামকে ধরে রাখার জন্য তিনি আমাদের কাছে রেখেগেছেন। মহান রবিউল আউয়াল মাস ও ঈদে মিলাদুন্নবী (স.) পালনের মাধ্যমে দ্বীন ইসলামের অনুসারিদের আলোকিত জীবনের অধিকারী হতে হবে। পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (স.) আমাদের জন্য মহা নেয়ামত।

জুলুছ ও মাহফিলে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আনজুমান এ জাহাঁগিরিয়া শাহসুফি মমতাজিয়ার ট্রাস্ট এর নির্বাহী পরচিালক শাহজাদা মাওলানা মুহাম্মদ মতি মিয়া মনসুর, জাহাঁগিরিয়া ছুফিয়া সুন্নিয়া দাখিল মাদরাসার সহ সুপার শাহজাদা মাওলানা মুহাম্মদ মনজুর আলী, শাহজাদা মুহাম্মদ হাসান আলী, চন্দনাইশ উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুর রহিম বাদশা, বিশিষ্ট ইতিহাস গবেষক সোহেল মোহাম্মদ ফখরুদ্দিন, লেখক আলহাজ মোঃ আব্দুর রহিম, চন্দনাইশ প্রেস ক্লাবের সাংগঠনিক সম্পাদক মো. নুরুল আলম, মো: হাবিবুর রহমান শাহীন, মুফতি আলি আহমদ মমতাজী, দাওয়াতে সুফির মোবাল্লিক মাওলানা রেজাউল করিম, তৈয়ব মিয়া, রাজা মিয়া, আমিনুল ইসলাম, রিদুয়ান, মাওলানা মোহাম্মদ রেজাউল করিম মমতাজী, মাওলানা মোহাম্মদ মেহেদি হাসান রনি, মাওলানা আহমদ হোসেন, মাওলানা রাজিব চৌধুরী মমতাজী। শেষে জিকির দোয়া মোনাজাত হয়।