চন্দনাইশ প্রতিনিধি: চন্দনাইশ উপজেলার দূর্গম পাহাড়ি অঞ্চল ধোপাছড়ি ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ডের ক্যাম্পপাড়া এলাকায় পরকিয়া প্রেমিকার বসত ঘর হতে শুক্রবার (৫ ফেব্রুয়ারি) জাহিদুল হক (১৮) নামে এক যুবকের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে।
স্থানীয় ইউ.পি সদস্য মমতাজ বেগম জানান, ক্যাম্প পাড়া এলাকার মৃত আবদুল ছালামের স্ত্রী চার সন্তানের জননী দিলুয়ারা বেগম (৪০) এর সাথে একই এলাকার মৃত আয়ুব আলীর ছেলে জাহিদুল ইসলাম (১৮) এর দীর্ঘদিন থেকে পরকিয়া প্রেম চলে আসছিল।
বৃহস্পতিবার জাহিদুল ইসলাম ঘর থেকে বের হয়ে আর ঘরে ফেরেনি।
জাহিদুল ঘরে না ফেরায় তার বোন নাছিমা বেগম শুক্রবার সকালে তাদের আত্মীয় স্বজনদের বাড়িতে খোঁজ করার পর পরকিয়া প্রেমিকা দিলুয়ারা বেগমের বাড়িতে খোঁজ নিতে গেলে তার বসতঘরের বারান্দায় জাহিদুল ইসলামের লাশ দেখতে পান।
খবরটি পুলিশকে জানালে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে জাহিদুল ইসলামের লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য মর্গে প্রেরণ করেন।
এর আগে দিলুয়ারা বেগম চন্দনাইশ থানায় গিয়ে তার বসত ঘরে জাহিদুল হকের লাশ পড়ে থাকার বিষয়টি পুলিশকে জানালে সন্দেহভাজন আসামী হিসাবে পুলিশ তাকে আটক করেন।
এব্যাপারে নিহত জাহিদুল ইসলামের বড় ভাই সিরাজুল ইসলাম জানান তার ভাইকে পরকিয়া প্রেমিকা দিলুয়ারা বেগম হত্যা করেছে।
রাতে জাহিদুল হকের লাশ দাফনের পর তারা একটি হত্যা মামলা দায়ের করবেন বলেও জানান।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে চন্দনাইশ থানার ওসি (তদন্ত) মজনু মিয়া জানান, স্থানীয়দের ভাষ্যমতে দিলুয়ারা বেগমের সাথে জাহিদুল হকের পরকিয়া প্রেমের সম্পর্ক ছিল। সন্দেহভাজন আসামী দিলুয়ারা বেগম বর্তমানে থানা হেফাজতে আছে। ময়না তদন্তের জন্য লাশ মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে। নিহতের স্বজনেরা মামলা দায়ের করলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।








