চন্দনাইশ উপজেলায় পাটজাত বস্তার পরিবর্তে প্লাস্টিক বস্তা ব্যবহারের অপরাধে ভ্রাম্যমান আদালতে দুই চাল ব্যবসায়ীকে জরিমানা করা হয়েছে।
এছাড়া নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের অতিরিক্ত দাম নেয়া এবং দোকানের সামনে দৃশ্যমান অবস্থায় পণ্যের মূল্য তালিকা না টাঙ্গানোর অপরাধে দুই মুদি দোকানীকেও জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমান আদালত।
শনিবার (২১ মার্চ) উপজেলার বাগিচাহাট এলাকায় উপজেলা নির্বাহী অফিসার ইমতিয়াজ হোসেনের নেতৃত্বে পরিচালিত ভ্রাম্যমান আদালতে এই জরিমানা করা হয়।
পাটজাত বস্তার পরিবর্তে প্লাস্টিকের বস্তায় চাল বিক্রির অপরাধে বাগিচাহাট এলাকার মেসার্স ফেরদৌস ট্রেডিংকে ১০ হাজার টাকা ও মেসার্স আলমাস এন্টারপ্রাইজকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। একই এলাকায় ভোক্তা অধিকার আইনে সিদ্দিক স্টোরকে ৩ হাজার ও এসএম স্টোরকে ১ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
এ ব্যাপারে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ইমতিয়াজ হোসেন বলেন, “ধান-চালে পাটজাত বস্তা ব্যতিত সিনথেটিক, পলিথিন কিংবা কৃত্রিম মোড়ক ব্যবহার করে বিক্রি, বিতরণ বা সরবরাহ করা যাবেনা। পাটজাত বস্তার বদলে প্লাস্টিকের বস্তা ব্যবহার করায় ওই দুই ব্যবসায়ীকে জরিমানা করা হয়েছে। এছাড়া করোনা ভাইরাসের অজুহাতে নিত্যপণ্যের অতিরিক্ত দাম নেয়া ও দোকানের সামনে দৃশ্যমান অবস্থায় পণ্যের মুল্য তালিকা না টাঙ্গানোয় দুই দোকানীকে জরিমানা করা হয়েছে।” অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানান তিনি।
চন্দনাইশ থানার এসআই চলা মংয়ের নেতৃত্বে পুলিশের একটি টিম অভিযানে সহযোগিতা করেন।








