চন্দনাইশ প্রতিনিধি: বৈশ্বিক মহামারি করোনা ভাইরাসের ঊর্ধ্বমুখী সংক্রমণ সামাল দিতে গত ৩০ জুন (বুধবার) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে সারাদেশে ১ জুলাই থেকে ৭ দিনের লকডাউন দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। সংক্রমণের বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনায় পূর্বের সকল বিধি-নিষেধ ও কার্যক্রমের ধারাবাহিকতায় ৭ জুলাই মধ্যরাত থেকে ১৪ জুলাই রাত ১২টা পর্যন্ত বিধি-নিষেধ আরোপের সময়সীমা বর্ধিত করে গত ৫ জুলাই মন্ত্রীপরিষদ বিভাগ থেকে আরেকটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।
জনস্বার্থে লকডাউন ঘোষণার পর থেকে মাঠপর্যায়ে লকডাউন বাস্তবায়নে কঠোর অবস্থানে রয়েছে চন্দনাইশ উপজেলা প্রশাসন।
গত ১ জুলাই থেকে ১৩ জুলাই পর্যন্ত দিন-রাত সমানতালে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেছেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার সাদিয়া ইসলাম ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) মাহফুজা জেরিন।
এরই ধারাবাহিকতায় লকডাউনের শেষ দিন বুধবার (১৪ জুলাই) সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত উপজেলার দোহাজারী পৌরসভা সদর, জামিজুরী, বাগিচাহাট ও গাছবাড়িয়া কলেজ গেইট এলাকায় চন্দনাইশ উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মাহফুজা জেরিন ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে স্বাস্থ্যবিধি না মানা ও লকডাউনের বিধি নিষেধ লঙ্ঘন করায় দোহাজারী পৌরসভা সদরের আলম শাহ্ ফার্মেসীকে ২ হাজার, মা মেডিসিনকে ৫ হাজার, আলম ফার্মেসিকে ৫ হাজার, খাজা হোটেল এন্ড রেস্টুরেন্টকে ৩ হাজার, সাইফুলকে ১০ হাজার, গাছবাড়িয়া এলাকায় নুর আহমদকে ১ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
এছাড়া ৮ জন পথচারীকে ১ হাজার ৮শ টাকাসহ সর্বমোট ১৪টি মামলায় ১৪ জনকে ২৭ হাজার ৮’শ টাকা জরিমানা করা হয়।
এব্যাপারে চন্দনাইশ উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মাহফুজা জেরিন বলেন, “স্বাস্থ্যবিধি না মানা ও লকডাউনের বিধি নিষেধ লঙ্ঘন করায় ১৪টি মামলায় ২৭হাজার ৮শ টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে। করোনা ভাইরাসের ঊর্ধ্বমূখী সংক্রমণের লাগাম টেনে ধরতে জনস্বার্থে লকডাউন ঘোষণা করেছে সরকার। করোনা নিয়ন্ত্রণে সরকার নির্দেশিত লকডাউন অমান্য করে স্বাস্থ্যবিধি ভঙ্গ করায় বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে এই জরিমানা আদায় করা হয়। আইন প্রয়োগের পাশাপাশি জনসচেতনতার কোন বিকল্প নেই।”
১৫ জুলাই থেকে ২২ জুলাই পর্যন্ত বিধিনিষেধ শিথিল করা হলেও মাস্ক পরিধান এবং স্বাস্থ্যবিধি প্রতিপালন তদারকি করতে মাঠ পর্যায়ে উপজেলা প্রশাসনের মনিটরিং অব্যাহত থাকবে বলে জানান তিনি।








