নিউজটি শেয়ার করুন

চন্দনাইশে শিক্ষক বাহারুল আলম হত্যার প্রতিবাদে পরিবারের সংবাদ সম্মেলন

চন্দনাইশ প্রতিনিধিঃ চট্টগ্রামের চন্দনাইশ উপজেলার দোহাজারী পৌরসভায় জমি সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে গত ৪ আগস্ট (বুধবার) বিকালে প্রতিপক্ষের হামলায় নিহত হন দোহাজারী জামিজুরী আহমদুর রহমান উচ্চ বিদ্যালয়ের সিনিয়র শিক্ষক বাহারুল আলম।

এঘটনায় ওই দিন রাতে পাঁচ জনকে আসামী করে নিহতের ছোট ভাই আক্তারুল আলম বাদী হয়ে পাঁচ জনকে আসামী করে চন্দনাইশ থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করলে থানা পুলিশ সৈয়দ মোহাম্মদ খোরশেদ আলম নামে এজাহারনামীয় একজনকে আটক করে পরদিন আদালতে প্রেরণ করে।

এদিকে নিহত শিক্ষক বাহারুল আলমের হত্যাকারীদের গ্রেপ্তারপূর্বক ফাঁসির দাবিতে প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীসহ সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করে মঙ্গলবার (১০ আগস্ট) সকালে আহমদুর রহমান চেয়ারম্যানের বাড়িতে সাংবাদিক সম্মেলন করে নিহতের পরিবারবর্গ।

সাংবাদিক সম্মেলনে কান্নাজড়িত কন্ঠে বক্তব্য রাখেন মামলার বাদী ও নিহতের ছোট ভাই আক্তারুল আলম, স্ত্রী কামরুন নাহার, কন্যা যথাক্রমে- তসলিমা বেগম সাজনিন, উম্মে হানি তানিন, উম্মে হাবিবা আইরিন, উম্মে ছালমা নওশিন, ভাতিজা কাউছার আলম, ভাগিনা নুরুল আলম, রফিক মিয়া, জাহাঙ্গীর মিয়া, বড় ভাইয়ের ছেলে আহমদুর রহমান রিপন, রহিম উদ্দিন রহমান, বড় মেয়ের জামাতা মুফতি নাছির উদ্দীন, ২য় মেয়ের জামাতা ফয়সাল প্রমূখ। সাংবাদিক সম্মেলনে কান্নাজড়িত কন্ঠে তাঁরা বলেন, “ওই দিনের ঘটনায় পুলিশ তড়িৎ ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে আরো কয়েকজনের প্রাণহানি ঘটে যেতো।

পুলিশ তড়িৎ ব্যবস্থা গ্রহণ করায় অবশ্যম্ভাবী আরো কয়েজনের প্রাণহানি এড়ানো গেছে। এঘটনায় মামলার এজাহারনামীয় একজন আসামী গ্রেফতার করায় পুলিশ প্রশাসনের ভূয়সী প্রশংসা করে অবশিষ্ট আসামীদেরকে দ্রুত গ্রেফতারপূর্বক আইনের আওতায় এনে ফাঁসি কার্যকর করার জন্য প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী, আইনমন্ত্রীসহ সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন তারা।

অপরদিকে আসামীগণ মামলা তুলে নেয়ার জন্য বিভিন্ন মাধ্যমে হুমকি-ধামকি প্রদান করে আসছেন বলেও সাংবাদিক সম্মেলনে তাঁরা অভিযোগ করেন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here