চন্দনাইশ প্রতিনিধি: চন্দনাইশ উপজেলার সাতবাড়িয়া আরিফশাহ্ পাড়া এলাকায় যুবলীগ নেতা কর্তৃক সুপারি গাছ কেটে দেওয়াল নির্মাণ করার অভিযোগ উঠেছে।এসময় সংঘর্ষে একজন আহত হয়েছে বলে জানা গেছে।
জানা যায় গত বুধবার যুবলীগ নেতা মীর মোঃ মহিউদ্দিন সীমানা প্রাচীর নির্মাণকালে পার্শ্ববর্তী আবু জাফরের কয়েকটি সুপারি গাছ কেটে ফেলার অভিযোগ ওঠে। এতে পক্ষদ্বয়ের মধ্যে কথা-কাটাকাটির এক পর্যায়ে সংঘর্ষ বেধে যায়।
এতে প্রতিপক্ষের হামলায় আবু জাফরের ছোট ভাই আবু তাহের (৪৮) আহত হয়ে চন্দনাইশ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নেয়।
খবর পেয়ে সাতবাড়িয়া ইউ.পি চেয়ারম্যান আহমদুর রহমান ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পক্ষদ্বয় মৌরসী সম্পত্তির সীমানা বিরোধকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিন থেকে বিরোধ চলে আসছিলো। ঘটনার দিন মহিউদ্দিন সীমানার কয়েকটি সুপারি গাছ কেটে সীমানা প্রাচীর নির্মাণ করায় পক্ষদ্বয়ের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
এব্যাপারে আবু জাফর বাদী হয়ে চন্দনাইশ থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেছেন বলে জানা গেছে।
এব্যাপারে জানতে চাইলে চন্দনাইশ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) কেশব চক্রবর্ত্তী বলেন, “বাদী বিষয়টি স্থানীয় সংসদ সদস্যকে অবহিত করলে তিনি স্থানীয় চেয়ারম্যানকে বিষয়টি নিষ্পত্তির জন্য দায়িত্ব দিয়েছেন। চেয়ারম্যানের বৈঠকের পর সমঝোতা না হলে পরবর্তীতে পদক্ষেপ নেয়া হবে।”
এব্যাপারে সাতবাড়িয়া ইউ.পি চেয়ারম্যান আহমদুর রহমান ডিলার জানান, “এম.পি মহোদয় আমাকে দায়িত্ব দেয়ার পর বিষয়টি নিষ্পত্তির জন্য উভয় পক্ষের সাথে কথা বলে সমঝোতা বৈঠকে সর্বসম্মতিক্রমে গৃহিত সিদ্ধান্ত মেনে নেবে মর্মে তাঁদেরকে একটা অঙ্গিকার নামায় সাক্ষর করার আহবান জানালে আবু জাফর সময়ক্ষেপণ করায় বিষয়টি এখনো নিষ্পত্তি করা সম্ভব হয়নি। বিষয়টি সুষ্ঠুভাবে সমাধানের জন্য এবং এলাকার শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখার জন্য সর্বোচ্চ চেষ্টা চালাচ্ছি।”








