Site icon CPLUSBD.COM

চন্দনাইশ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে স্থাপণ করা হলো স্বয়ংক্রিয় জীবাণুনাশক টানেল

চন্দনাইশ প্রতিনিধিঃ চন্দনাইশ উপজেলায় ২ চিকিৎসক ও ৪ স্বাস্থ্যকর্মীসহ মোট ১২ জনের করোনা পজেটিভ শনাক্ত হওয়ার পর করোনা ভাইরাস সংক্রমণ প্রতিরোধে চন্দনাইশ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আগত রোগী ও তাদের স্বজন এবং চিকিৎসক, নার্স ও স্টাফদের জীবাণুনাশক টানেলের মাধ্যমে সমস্ত শরীর জীবাণুমুক্ত করে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রবেশ করানোর উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।

হাসপাতালের সাবেক ফার্মাসিস্ট প্রয়াত সুধীর রঞ্জণ চক্রবর্তীর স্মরণে চন্দনাইশ পৌরসভার ৮নং ওয়ার্ডের কিছু মানুষের সহায়তায় উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা (ইউএইচএফপিও) ডাঃ মোঃ শাহীন হোসাইন চৌধুরীর তত্বাবধানে চন্দনাইশ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের প্রবেশ পথে বসানো হয়েছে জীবানুমুক্তকরনের টানেল। এই টানেল দিয়ে প্রবেশ করার সময়, গেটের চারিদিকে থাকা স্প্রে পাইপ দিয়ে অটোমেটিক জীবানু নাশক বের হয়ে প্রবেশকারীকে জীবাণুমুক্ত করবে। আর আগত সকল ব্যক্তির শরীরে লুকিয়ে থাকা জীবাণু এতে মারা যাবে।

শনিবার (২৩ মে) সকালে জীবাণুনাশক টানেল উদ্ভোধন করেন চন্দনাইশ পৌরসভার মেয়র মাহবুবুল আলম খোকা। এসময় উপস্থিত ছিলেন চন্দনাইশ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) কেশব চক্রবর্তী, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা (ইউএইচএফপিও) ডাঃ মোঃ শাহীন হোসাইন চৌধুরী, নারায়ণ চক্রবর্তী, দোহাজারী পৌরসভার উপ-সহকারী প্রকৌশলী এসএম জমির উদ্দিন, মন্টু দে, শাহনেওয়াজ চৌধুরী, রুবেল নাথ, কমল চক্রবর্তী, নিউটন, সানি, শক্তিপদ চক্রবর্তী, শাহেদ, শুভ, হেলাল উদ্দিন প্রমূখ।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা (ইউএইচএফপিও) ডাঃ মোঃ শাহীন হোসাইন চৌধুরী বলেন, “হাসপাতালে চিকিৎসা সেবা গ্রহণ করতে উপজেলার বিভিন্ন স্থান থেকে রোগীরা আসেন। এদের মধ্যে করোনা ভাইরাসের বাহক কে, তা চিহ্নিত করা সম্ভব নয়। বর্তমানে কমিউনিটি সংক্রমণ বৃদ্ধি পাচ্ছে। এমতাবস্থায় হাসপাতালের প্রবেশ পথে বসানো হয়েছে জীবাণুনাশক টানেল। আমি সহ সকলকেই এই গেইট দিয়ে নিয়ম মেনে জীবাণুমুক্ত হয়ে হাসপাতালে প্রবেশ করতে হবে। আমরা আশাবাদী এমন উদ্যোগে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ প্রতিহত করা সহজ হবে।” সরকার নির্দেশিত স্বাস্থ্যবিধি মেনে চললে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ প্রতিরোধ করা সম্ভব হবে বলে জানান এই চিকিৎসা কর্মকর্তা।