সিপ্লাস প্রতিবেদক: সিটি করপোরেশন ৪১ টি ওয়ার্ডে ৩০ দিনের মশক নিধন ক্রাশ প্রোগ্রাম আগামী ৪ আগস্ট থেকে চালু হবে। এ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মেয়র রেজাউল করিম চৌধুরী।
২০ টি নতুন সংযোজিত টু স্ট্রোক ইন্জিন চালিত পাওয়ার স্প্রে মেশিন সহ ২০টি ফ্রগার মেশিন সমৃদ্ধ এই টিম ৮ টি ভাগে দৈনিক ৪ থেকে ৬ টি ওয়ার্ডে (আকারভেদে) সারাদিন মশক নিধন অভিযান পরিচালনা করবে।
এই টিম ওয়ার্ডের নিয়মিত মশক নিধন অভিযানে নিয়োজিত সেবকদের সাথে একযোগে কাজ করবে। এই সময় সকল ওয়ার্ডের জন্য নির্ধারিত যন্ত্রপাতি নিয়ে স্ব স্ব ওয়ার্ডের অভিযান চলমান থাকবে।
Ldo(লাইট ডিজেল ওয়েল) প্রচলিত কালো তেল, লার্ভিসাইড (সাধারণ হ্যান্ড স্প্রে ও পাওয়ার স্প্রে মেশিন দ্বারা প্রয়োগকৃত মশার ডিম বা লার্ভা ধংসকারী ঔষধ) এডালডিসাইড (পুর্নাঙ্গ মশা বা উড়ন্ত মশা ধংসকারী ঔষধ) ছিটানো হবে।
সার্কেল অনুযায়ী ৩০ দিনের বিশেষ ক্রাশ প্রোগ্রাম এর আওতায় প্রতিটি ওয়ার্ডে বিশেষ টিম ৩ দিন নিয়মিত ওয়ার্ডের মশক নিধন টিমের সাথে একীভূত হয়ে কাজ করবে। কাউন্সিলরগণ স্ব স্ব ওয়ার্ডে স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে ডেঙ্গুর প্রাদুর্ভাব রোধে সচেতনতা মূলক সভা আয়োজন করবেন।
মেয়র এর নেতৃত্বে সদ্য গঠিত আরবান কমিউনিটি ভলান্টিয়ার টিম ডোর টু ডোর স্ব স্ব ওয়ার্ডে কাউন্সিলরের নেতৃত্বে সচেতনতা মূলক ক্যাম্পেইন করবেন। সিটি করপোরেশন এর উদ্যোগে মাইকিং সহ প্রিন্ট ইলেক্ট্রনিক ও স্যোশাল মিডিয়ায় সচেতনতা মূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ওয়ার্ড পর্যায়ে নিয়োজিত পরিচ্ছন্ন সুপারভাইজার ওয়ার্ড এলাকায় নির্মাণাধীন ভবন ও ছাদ বাগান পরিদর্শন করবেন, জমে থাকা পানি ও আর্বজনা অপসারণের আহবানে সাড়া না পেলে ওয়ার্ড কাউন্সিলরের মাধ্যমে সিটি কর্পোরেশন এর ম্যজেস্টেট এর মাধ্যমে জরিমানার ব্যবস্থা করবেন।

