জিয়াউল হক ইমন: চান্দগাঁওয়ে ট্রাফিক পুলিশের তৎপরতায় অবশেষে প্রধান সড়কে সাময়িক বন্ধ রয়েছে সরকার নিষিদ্ধ ব্যাটারিচালিত রিকশা।
চট্টগ্রাম ইলেকট্রিক চার্জার রিকসা মালিক সমিতি নাম দিয়ে ‘বিআইএমএল’ সিন্ডিকেট এতোদিন অবাধে প্রায় ৫ হাজার ব্যাটারিচালিত রিকশা পরিচালনা করতো। প্রতিটি রিকশা থেকে দৈনিক ১৪০ টাকা করে মাসে চাদায় আদায় করতো কোটি কোটি টাকা।
গত (শুক্রবার) ২৭ আগস্ট বিকালে সরেজমিনে নগরীর কাপ্তাই রাস্তার মাথা-সিএন্ডবি-পাঠানিয়া গোদা বাহার সিগন্যালসহ বিভিন্ন রাস্তায় টোকেন দিয়ে ব্যাটারি চালিত অটোরিক্সা দেখা গিয়েছিল অবাধে চলতে।
তবে রবিবার (৫ সেপ্টেম্বর) বিকালে সরেজমিনে দেখা যায় পুলিশি তৎপরতার ভয়ে, প্রধান সড়কে তেমন একটা নেই নিষিদ্ধ এই ব্যাটারিচালিত রিকশা।
অনুসন্ধানে দেখা যায়, আগের টোকেনে চট্টগ্রাম ইলিকট্রিক চার্জার রিকশা মালিক সমিতি নাম দিয়ে এর নিচে লিখা আছে B I M L যেখানে বেলাল-ইসমাইল-মহিউদ্দিন-লিটন তাদের নামের প্রথম অক্ষর দিয়ে এই টোকেন বানিয়ে এই অবৈধ লাইন চালাচ্ছে। এর আগে শানে ছিরোকোট (রা:) কখনো শোকাবহ ২১ আগস্টের সংখ্যা ব্যবহারসহ বিভিন্ন নাম ও চিহ্ন ব্যবহার করে টোকেনের মাধ্যেমে এই লাইন চালিয়ে আসছিল এই সিন্ডিকেট।
ওই সময় জানতে চাইলে টোকেন দিয়ে এই গাড়ি চালাচ্ছেন বলে সিপ্লাসকে জানিয়েছে বেশ কয়েকজন রিকশা চালক।
বেশ কয়েকজন এলাকাবাসী জানান, র্দীঘদিন থেকে চান্দগাঁও কাপ্তাই রাস্তার মাথাসহ বৃহত্তর চান্দগাঁওয়ে চলছে এই সিন্ডিকেটের দৌরাত্ম্য। টোকেন বাণিজ্যের মাধ্যেমে দৈনিক প্রতি গাড়ি ১৪০ টাকা হিসাবে প্রতিমাসে কোটি কোটি টাকার চাঁদা হাতিয়ে নিয়েছে এই সিন্ডিকেট। ঐ সময় এটার প্রতিকার চেয়েছিল এলাকাবাসী।
পুলিশ প্রশাসনকে এই অবৈধ লাইন বন্ধ রাখার আহ্বান জানান, চসিক ৫ নম্বর মোহরা ওয়ার্ড কাউন্সিলর কাজী নুরুল আমিন।
আগে টোকেন দিয়ে চললেও ২৮ আগস্ট থেকে ব্যাটারি চালিত রিকশা চলছেনা দাবী করেছেন বেলাল-ইসমাইল-মহিউদ্দিন-লিটন সিন্ডিকেটের ইসমাঈল।
সিন্ডিকেট সদস্যসহ অবৈধ গাড়ির বিরুদ্ধে আইনগত পক্রিয়া চলমান আছে বলে জানান, সিএমপি ট্রাফিক উত্তর বিভাগের উপকমিশনার মুহাম্মদ আলী হোসেন।
আরো বিস্তারিত জানতে নিচের ভিডিও লিঙ্কে প্রবেশ করুন…








