বরাবর,
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার।
বিষয়ঃ চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার জেলার লবণ চাষীদের উৎপাদিত লবণের ন্যায্য মূল্য নির্ধারণ প্রসঙ্গে।
প্রিয় মমতাময়ী নেত্রী, সবিনয় যথাযত সম্মানপূর্বক বিনীত নিবেদন এই যে,আমরা চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার জেলার লবণ চাষী।আমাদের জীবন এবং জীবিকা নির্বাহের একমাত্র উৎস লবণ চাষ।বাংলাদেশের অধিকাংশ দেশীয় লবণ উৎপাদনের একমাত্র ক্ষেত্র চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার জেলা।
এখানকার উৎপাদিত লবণ দেশের অধিকাংশ চাহিদা পূরণ করে থাকে।এই এলাকার অধিকাংশ জনসাধারণ লবণ উৎপাদন কাজে নিবিড়ভাবে জড়িত এবং তাদের জীবিকার আয়ের একমাত্র উৎস।পরিসংখ্যান অনুযায়ী বিগত মৌসুমে এই এলাকায় উৎপাদিত লবণ দেশের অভ্যন্তরীণ অধিকাংশ চাহিদা পূরণে সক্ষম হয়েছে কিন্ত লবণ চাষীরা বাজার চাহিদা অনুযায়ী দাম না পাওয়ায় অনেকটা লোকসানের সম্মুখীন হয়েছে।
প্রতি কেজি লবণের যে পরিমাণ দাম চাষীরা পেয়ে থাকে টিক তার কাছাকাছি বা তার চেয়ে বেশি অর্থ উৎপাদনে ব্যয় হয়ে যায়।ফলে তারা লোকসানে ভোগে।বর্তমান লবণ মৌসুম চলতেছে কিন্তু লবণের বাজার মূল্য তুলনামূলকভাবে কম হওয়াতে চাষীরা বিগত দিনের ন্যায় লোকসানের ভয়ে আছে।ফলে লবণ চাষে বিমুখ হচ্ছে চাষীরা।
বাজার মূল্যের এই দরুণ অবস্থা বিরাজমান থাকলে দেশীয় উৎপাদন দিন দিন কমে যাওয়ার আশংকা রয়েছে। দেশের এই ঐতিহ্যবাহী লবণ শিল্প এবং এর সাথে সম্পৃক্ত লক্ষ লক্ষ জনসাধারণের জীবন-জীবিকার কথা বিবেচনা করে মমতাময়ী নেত্রী,মাদার অব হিউম্যানিটি,জননেত্রী,মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনার কাছে বিনীত অনুরোধ যেন চলতি মৌসুমে দেশীয় উৎপাদিত লবণের বাজার চাহিদা সৃষ্টি এবং সুলভ মূল্য নির্ধারণ করে এই শিল্পকে আরও আধুনিক ও সমৃদ্ধ করতে সহায়ক হবেন।
লবণ চাষীদের পক্ষে
মুমিনুল ইসলাম ইমন
উপ-দপ্তর সম্পাদক, চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা ছাত্রলীগ।

