চেক প্রতারণা মামলায় এয়াকুব গ্রুপ অব ইন্ডাষ্ট্রিজ’র চেয়ারম্যান ও এলডিপি নেতা এম এয়াকুব আলীকে এক বছর কারাদণ্ড ও এক কোটি ১৫ লাখ টাকা জরিমানা করেছেন আদালত।
বৃহস্পতিবার (২৪ অক্টোবর) চট্টগ্রাম ৬ষ্ঠ যুগ্ম মহানগর দায়রা জজ মো. রাশেদ তালুকদারের আদালত এ রায় দেন। মামলায় এয়াকুব পলাতক থাকায় তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা ইস্যু করা হয়েছে। তিনি লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি (এলডিপির) কেন্দ্রীয় ও চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলার নেতা।
বাদীপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট জিয়া হাবিব আহসান জানান, চেক প্রতারণা মামলায় শিল্পপতি এয়াকুব আলীর এক বছর কারাদণ্ড ও এক কোটি ১৫ লাখ টাকা জরিমানা করেছেন আদালত। আসামি গ্রেফতার কিংবা আত্মসমর্পণ করলে সেই দিন থেকে সাজা কার্যকর হবে বলে রায়ে উল্লেখ করেছেন আদালত।
জানা গেছে, নগরীর আগ্রাবাদ জাবেদ টাওয়ারের দিব্য ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ব্যবসায়ী বিশ্বজিত দে’র সাথে দণ্ডিত এয়াকুব আলীর দীর্ঘদিন ধরে সুসর্ম্পক ছিল। সেই সর্ম্পকের সুবাধে আসামি এয়াকুব আলী অভিযোগকারীর নিকট হতে এক কোটি পনের লক্ষ টাকা হাওলাত গ্রহণ করেন। আসামি উক্ত টাকা পরিশোধের জন্য সাউথ বাংলা এগ্রিকালচার এ্যান্ড কমার্স ব্যাংক লিমিটেডের একটি চেক দেন। আসামির সেইফওয়ে সার্ভিস নামীয় প্রতিষ্ঠানের হিসাবের বিপরিতে এক কোটি ১৫ লাখ টাকার সিডিবি ০৪৭৫১৫৬ নম্বর চেক ছিল। এই চেক দিয়ে ব্যাংক থেকে টাকা উত্তোলন করতে যান ব্যবসায়ী বিশ্বজিত দে।
কিন্তু আসামির স্বাক্ষরিত ও ইস্যুকৃত চেকটির একাউন্টে অপর্যাপ্ত তহবিলের কারণে ডিজঅনার হয়। আসামিকে আইনের বিধান মতে নোটিশ প্রদাণের পরও তিনি টাকা ফেরত দেননি। তাই ২০১৮ সালের ১৫ অক্টোবর চট্টগ্রাম মুখ্য মহানগর হাকিম (সিএমএম) আদালতে বিশ্বজিত বাদী হয়ে একটি চেক প্রতারণা মামলা দায়ের করেন। পরবর্তীতে মামলাটি বিচার নিষ্পত্তির জন্য চট্টগ্রাম ৬ষ্ঠ যুগ্ম মহানগর দায়রা জজ আদালতে পাঠানো হয়। আদালত আসামির বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় এ রায় দেন।








