সরকারি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে সন্দ্বীপে যাত্রী পারাপার করেছে বাশবাড়িয়া ফেরীঘাটের ইজারাদার।
২৫ মার্চ মঙ্গলবার সকাল থেকে বিকাল সাড়ে চারটা পর্যন্ত যাত্রী পারাপারের প্রমাণ পাওয়া গেছে।
যাত্রী পারাপারের বিষয়টি স্বীকার করে স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের চাপে যাত্রী পারাপার করতে বাধ্য হয়েছে বলে পাল্টা অভিযোগ তুলেছেন ঘাট ইজারাদার।
২৫ মার্চ থেকে করোনা ভাইরাস নিয়ন্ত্রণে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সকল প্রকার যাত্রীবাহী নৌযান চলাচল বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছিল।
যাত্রীদের সূত্রে জানাযায়, মঙ্গলবার সকাল থেকে বিকাল চারটা পর্যন্ত বাশবাড়িয়া ঘাট দিয়ে স্পীডবোট ও মালের বোটে যাত্রী পারাপার করা হয়। এসময় যাত্রীদের থেকে ২৫০ টাকা ভাড়ার পরিবর্তে ৫০০ টাকা ভাড়া আদায় করা হয়েছে ।
যাত্রী পারাপার করার বিষয়ে জানতে চাইলে বাশবাড়িয়া ঘাটের টিকিট বিক্রেতা মো. বেচু বলেন, আমরা আজকে (মঙ্গলবার) যাত্রী মালের বোটে প্রায় আড়াইশ এবং স্পীডবোটে দুই শতাধিক সহ প্রায় পাচশ যাত্রী পারাপার করা হয়েছে। আগামীকাল (বুধবার) ভোরে স্পীডবোটে এবং দুপুর একটায় মালেরবোটে পার করা হবে।
তবে নিষেধাজ্ঞা অমান্য করার কারণ জানতে চাইলে করণিক বেচু অভিযোগ করে বলেন, আমরা বোট চলাচল বন্ধ রেখেছিলাম। বাশবাড়িয়ার চেয়ারম্যান আমাদের ইজারাদারকে গালাগালি করে আমাদের মারার ধমক দিয়ে যাত্রী পারাপার চালু করতে বাধ্য করেছে।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করে বাশবাড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শওকত আলী বলেন, যাত্রী পারাপারের বিষয়টি শুনে আমি একজন ইউপি সদস্য পাঠিয়েছিলাম। পরে সেখানে পুলিশ আসে। বিকালে আবারোও যাত্রী পারাপারের বিষয় শুনে আমি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে অবহিত করি।আমি কাউকে চাপ নিইনি।
সরকারি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে সন্দ্বীপে অবাধে যাত্রী পারাপারকে সন্দ্বীপের জন্য হুমকি বলে জানিয়েছেন বিশিষ্টজনরা।
সন্দ্বীপ উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মাঈন উদ্দিন মিশন বলেন, প্রশাসন জেনে বুঝে সন্দ্বীপের যাত্রী পারাপার বন্ধ ঘোষণা করেছে। দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে এভাবে অবাধে প্রবেশ করলে যেকোন সময় ভাইরাস আক্রান্ত রোগী ঢুকে যেতে পারে।এটি পুরো সন্দ্বীপবাসীর জন্য বিপদজনক।








