সিপ্লাস ডেস্ক: ঝালকাঠি সদর উপজেলার পোনাবালিয়া গ্রামের কে এ খান হাফেজি মাদ্রাসায় ছাত্রদের আওয়াজে ঘুম ভাঙায় ক্ষিপ্ত হয়ে ১০ শিক্ষার্থীকে পিটিয়ে আহত করেছেন মাদ্রাসাশিক্ষক হাফেজ মাওলানা মোহাম্মদ উল্লাহ। এ ঘটনায় স্থানীয়রা অভিযুক্ত শিক্ষককে আটক করে পুলিশের হাতে তুলে দেয়।
শনিবার বিকেলে এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীদের অভিভাবকরা জানান, সরকারি বিধিনিষেধ অমান্য করে কে এ খান হাফেজি মাদ্রাসা খোলা রাখা হয়। একমাত্র শিক্ষক মোহাম্মদ উল্লাহ মাদ্রাসা খোলা রেখে ওই প্রতিষ্ঠানে পাঠদান করাতেন।গতকাল বিকেলে ওই শিক্ষক মাদ্রাসায় ঘুমিয়ে পড়েন। এ সময় শিক্ষার্থীরা খেলাধুলা করছিল। তাদের কথার শব্দে ওই শিক্ষকের ঘুম ভেঙে যায়। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে তিনি দরজা আটকে ১০ শিক্ষার্থীকে বেত্রাঘাত করেন।
শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, তারা ব্যথায় কান্নাকাটি করলে কক্ষে আটকে বাইরে থেকে তালা ঝুলিয়ে দেন শিক্ষক মো. উল্লাহ। মারধরের বিষয়টি কাউকে না বলার জন্য সব শিক্ষার্থীকে ভয় দেখানো হয়।
সন্ধ্যায় নামাজের সময় পালিয়ে সিয়াম নামের এক শিক্ষার্থী স্থানীয় পোনাবালিয়া বাজারে যায়। এ সময় সে কাঁদতে থাকে। বাজারের লোকজন তার কাছে কারণ জানতে চাইলে সিয়াম ঘটনা খুলে বলে।
পরে স্থানীয়রা আহত শিক্ষার্থীদের উদ্ধার করে চিকিৎসার ব্যবস্থা করে। খবর পেয়ে গতকাল রাতেই ঝালকাঠি সদর থানা পুলিশ মাদ্রাসা থেকে মোহাম্মদ উল্লাহকে আটক করে।
ঝালকাঠি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খলিলুর রহমান বলেন, এ ঘটনায় এক শিক্ষার্থীর বাবা বাদী হয়ে মামলা করেছেন। সেই মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

