প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আওয়ামী লীগের সহযোগী সংগঠনের তালিকা আছে, যা অন্য দলগুলোর নেই। ছাত্রলীগ আওয়ামী লীগের অঙ্গ সংগঠন নয়।
তিনি বলেন, ছাত্ররাই সব আন্দোলনে অগ্রণী ভূমিকায় থাকে। আমিও ছাত্ররাজনীতি করেই এখানে এসেছি। এখন একটা ঘটনা ঘটেছে বলেই ছাত্ররাজনীতি নিষিদ্ধ করতে হবে কেন? তবে কোনো প্রতিষ্ঠান চাইলে নিজেরা সেটি করতে পারে।
বুধবার (৯ অক্টোবর) গণভবনে ভারত ও যুক্তরাষ্ট্র সফর পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
তিনি বলেন, মাথা থাকলে মাথাব্যথা তো হবেই। যারা উড়ে এসে বসে, তাদের দেশের চিন্তা থাকে না। ছাত্ররাজনীতি থেকেই ধীরে ধীরে চরিত্র গঠন হয়। আদর্শ গড়ে ওঠে। দক্ষ নেতৃত্ব উঠে এসেছে ছাত্ররাজনীতি থেকেই।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, অনেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ছাত্ররাজনীতি নিষিদ্ধ আছে। বুয়েট চাইলে তারাও নিষিদ্ধ করতে পারে। আমরা এতে হস্তক্ষেপ করবো না।
ভারতকে গ্যাস দেয়ার প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ভারতকে (ত্রিপুরা) যে গ্যাস দিচ্ছি, সেটা এলপিজি (বোতল গ্যাস)। এটা বিদেশ থেকে আমদানি করে নিজেদের দেশে সরবরাহ করছি। আর কিছুটা ত্রিপুরায় দিচ্ছি।
প্রসঙ্গত, বিশ্ব অর্থনীতি ফোরামের ভারত অর্থনৈতিক সম্মেলনে যোগদানের উদ্দেশ্যে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ৩ থেকে ৬ অক্টোবর—এই চার দিনের সফরে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করেন।
এর আগে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের (ইউএনজিএ) ৭৪তম অধিবেশনে যোগদানের উদ্দেশ্যে তিনি ২২ থেকে ২৯ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্র সফর করেন।








