আওয়ামী লীগ সরকার গভীর সংকটে পড়লে জনগণের দৃষ্টি অন্য দিকে সরাতে দলীয় লোকদের ‘মুখরোচক অপকর্ম’ প্রকাশ করে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি নেতা খন্দকার মোশাররফ হোসেন।
সম্প্রতি নরসিংদী যুব মহিলা লীগের এক নেত্রীকে গ্রেপ্তারের পর মঙ্গলবার ক্যাসিনোকাণ্ডে বন্দী আওয়ামী লীগ নেতার বাড়ি থেকে ২৬ কোটি টাকা উদ্ধারের ঘটনার প্রসঙ্গ টেনে তিনি একথা বলেন।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির এ সদস্য বলেন, “আজকে আপনারা দেখেন, যখনই কোনো গভীর সংকট সরকারের সামনে, তখনই তাদের লোকজন যেসব অপকর্ম কিছু করছে মুখরোচক- ওইটাকে প্রকাশ করে দিয়ে জনগণের দৃষ্টিকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করতে চায়, ভিন্ন খাতে নিয়ে যেতে চায়।
“যে সময়ে ক্যাসিনো অভিযান হয়, সেই সময়েও সরকারের একটা ত্রাহি ত্রাহি অবস্থা ছিল। বর্তমানেও সরকার সকল নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে আজকে একটা খাদের কিনারায় গিয়েছে বলে আমি মনে করি। তা থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্যই সরকার এসব জিনিসকে সামনে এনে জনগণের দৃষ্টিকে অন্যদিকে ফিরিয়ে দিতে চায়।”
খন্দকার মোশাররফ বলেন, “ক্যাসিনোবাজি-চাঁদাবাজি হচ্ছে, সর্বশেষে যুব মহিলা লীগের একজন সাধারণ সম্পাদিকা। আপনারা পত্র-পত্রিকায় তার সম্পর্কে দেখছেন, আরো দেখবেন। যখন এই ধরনের ঘটনা ঘটে তখন সরকারের দায়িত্ব হলো তাকে ওই দল থেকে বহিষ্কার করে দেওয়া এবং পরে বলা হয় যে, এগুলোর সাথে আমাদের কেউ নাই।
“আমাদের প্রশ্ন- এই সম্রাটরা, এই মহিলা সম্রাটরা যা কিছু করছে তারা কি পরিচয়ে করছে? আবরারকে বুয়েটে হত্যা করলো যে দানবরা তারা কী নামে করেছে? সরকারি দলের ছাত্রলীগের নামে। এই সম্রাটরা সকল প্রশাসনের চোখের সামনে বছরের পর বছর ক্যাসিনো চালালো কেউ দেখে না-এটা কী বিশ্বাসযোগ্য?”








