রাঙ্গুনিয়া প্রতিনিধিঃ কঠোর বিধিনিষেধের চতুর্থ দিন দায়িত্বশীল কর্তৃপক্ষের শিথিলতায় রাঙ্গুনিয়ায় যানবাহন ও মানুষের অবাধ চলাচল চোখে পড়েছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীগুলো আইন প্রয়োগে কঠোরতার ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে পারছে না।
এরফলে রাঙ্গুনিয়ার বিভিন্ন স্থানে ভেঙে পড়েছে লকডাউন। এমনকি প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিয়মিত অর্থদন্ডসহ নানাভাবে সতর্ক করা হলেও তাতেও কাজ হচ্ছে না।
সোমবার (২৬ জুলাই) সরকারি নির্দেশনা অমান্য করে দোকান খোলা রাখার জন্য ৯টি মামলায় ১৭০০ টাকার অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়।
যথাযথ কারণ ব্যতীত রাস্তায় চলাচলরত যানবাহনগুলোকে উল্টো দিকে ঘুরিয়ে দেয়া হয়। ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) রাজীব চৌধুরী রোয়াজারহাট বাজারে অভিযান চালিয়ে এই অর্থদন্ড দেন।
এভাবে গত ৪ দিনে রাঙ্গুনিয়ায় বিনা প্রয়োজনে, মাস্ক ছাড়া ঘরের বাইরে বের হওয়া ও নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে দোকান খোলা রাখার দায়ে অন্তত ২৫ মামলায় প্রায় ১৫ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়। কিন্তু এরপরও মানুষকে বিধিনিষেধ মানানো যাচ্ছে না।
এদিন সকালের দিকে কাপ্তাই সড়কের গোডাউন এলাকায় দেখা যায়, লকডাউন কার্যকরে পুলিশ সদস্যরা সড়কের একপাশে বসে আছেন। অন্যদিকে তাদের সামনেই অবাধে চলছে মানুষ, বিভিন্ন ধরনের পরিবহন। এমনকি রীতিমতো সড়কে যানবাহনের জট লেগে গেছে।
এসময় জানতে চাইলে নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক পুলিশ সদস্য বলেন, আমি যদি বাইরে আসা ৫০০ জনকে ধরি, প্রত্যেকের জবাব আছে এবং সবার জবাবই যৌক্তিক। আমরা কি করবো।
এই ব্যাপারে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রাজীব চৌধুরী বলেন, প্রশাসন সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে লকডাউন কার্যকরে কাজ করে যাচ্ছে। নিয়মিত বিভিন্ন সড়ক, বাজার, অলিগলিতে অভিযান চালিয়ে জরিমানা ও সতর্ক করা হচ্ছে।
তবে করোনা মোকাবেলায় সবাইকে নিজ থেকে সতর্ক থাকা ও সরকারি নির্দেশনা মেনে চলা জরুরি বলে তিনি মনে করেন।

