সিপ্লাস প্রতিবেদক: প্রচন্ড গরমে অতিষ্ঠ হলেও আকাশে মেঘ দেখলেই আতংকিত হয়ে উঠেন নগরবাসী।
কারণ এক পসলা বৃষ্টিতেই নগরীর অধিকাংশ এলাকা প্লাবিত হয়ে উঠে। স্থবির হয়ে হয়ে পড়ে সকল কর্মকান্ড। চরম দুর্ভোগের সম্মুখিন হন বিশেষ করে সাধারণ মানুষ।
নগর জুড়ে জলাবদ্ধতা নিরসনে ব্যাপক উন্নয়ন প্রকল্পের কাজ চলমান। বাঁধ দেয়া হয়েছে বিভিন্ন নালা, খালসহ পানি নি:স্কাশনের পথে। তাই সকলের আশঙ্কা ছিল এবার চট্টগ্রামের জলাবদ্ধতা অতীতের সকল রেকর্ডকে অতিক্রম করবে।
আজ মঙ্গলবার (১ জুন) সারাদিন চট্টগ্রামে কম-বেশি বৃষ্টি হয়েছে। মৌসুমের প্রথম এই ভারি বৃষ্টির কারণে ভয়াবহ জলাবদ্ধতার আতংক ছিল জনমনে।
কিন্তু বিভিন্ন নালা ও খালের বাঁধ কেটে দেয়ায় নগরবাসী আপাতত: রক্ষা পেলেন পানিতে তলিয়ে যাওয়ার এ অভিশাপ থেকে।
আজ সরেজমিনে নগর বিভিন্ন এলাকায় দেয়া বাঁধ কেটে দিতে দেখা গেছে।

নগরবাসীরা জানান, সারা বছরই বর্ষাকালে নগরীর অধিকাংশ এলাকা ডুবে যায়। তার মধ্যে জলাবদ্ধতা নিরসনে চলছে সিডিএ’র মেগা প্রকল্পের কাজ। এ প্রকল্পের কাজ বর্ষার আগে শেষ করার কথা থাকলেও নির্দিষ্ট সময়ে শেষ হচ্ছে না। উন্নয়ন কাজে বিভিন্ন জায়গায় বাঁধ দেয়ায় সামান্য বৃষ্টিতেই নগরীর অধিকাংশ এলাকা প্লাবিত হয়ে উঠে।
এমন অবস্থার মধ্যে গত ৩০ মে জলাবদ্ধতা নিরসনে চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (সিডিএ) চলমান মেগা প্রকল্প বাস্তবায়ন কাজে দেওয়া বাঁধ আগামী ১৫ দিনের মধ্যে কেটে দিতে হবে বলে উল্লেখ করেন চসিক মেয়র মো. রেজাউল করিম চৌধুরী। তা না হলে আসন্ন বর্ষায় নগরীর জলাবদ্ধতা অতীতের ভঙ্গ হবে।
মেয়রের এমন ঘোষণার পর চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (সিডিএ) চলমান মেগা প্রকল্প বাস্তবায়ন কাজে দেওয়া বাঁধ আজ মঙ্গলবার ( ১ জুন) কেটে দেয়া হয়। যার কারণে সকাল থেকে ভারী বৃষ্টির পরেও জলাবদ্ধতা না হওয়ায় বিভিন্ন মহলে স্বস্তির বহি:প্রকাশ ঘটতে দেখা যায়।








