সিপ্লাস প্রতিবেদক: চট্টগ্রাম বন্দর বাংলাদেশের লাইফ লাইন। জাতীয় স্বার্থে চট্টগ্রাম বন্দর সচল রাখার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী।
তিনি জানান, বহির্নোঙরে ৩৩টি জাহাজ অপেক্ষমাণ আছে। সেগুলোতে ৩৬ হাজার কনটেইনার আছে। বন্দর থেকে অফডকে কনটেইনার পাঠিয়ে জাহাজের কনটেইনার নামাতে হবে।
নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের সচিব মেজবাহ উদ্দিন চৌধুরী বলেন, করোনাভাইরাস আসার পর সব কর্মকাণ্ড বন্ধ হলেও ব্যতিক্রম চট্টগ্রাম বন্দর। অনেক স্টেকহোল্ডার বন্দরের। গণমাধ্যমের সাপোর্ট আমরা পেয়েছি। পজেটিভ গ্রোথ রেট ধরে রাখার মাধ্যম বন্দর। তাই বাধা চিহ্নিত করে তা অপসারণের চেষ্টা করেছি।
কনটেইনার জট নিরসনে সব পণ্য অফডকে সরিয়ে নেওয়ার জন্য অনুমোদন পেতে যাচ্ছি। তাহলে ১৮ হাজার কনটেইনার অফডকে নেওয়া যাবে। বিকেলের মধ্যে এ বিষয়ে ঘোষণা আসবে আশাকরি।
আমাদের টার্গেট জট কমানো। বিজিএমইএ, বিকেএমইএ সহ আমদানিকারকদের স্টোর রেন্ট মওকুফের সুযোগ দেওয়া হয়েছে। ২০ এপ্রিলের মধ্যে যেসব কনটেইনার জাহাজ এসেছে এ সুযোগ পেয়েছে।
বন্দরের শ্রমিকদের ধন্যবাদ জানাই। সবাই যখন আতঙ্কিত হয়ে ঘরে অবস্থান করছে তখন তারা কাজ করেছে।
এ সময় বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রিয়ার অ্যাডমিরাল শেখ আবুল কালাম আজাদ, বন্দরের সদস্য মো. জাফর আলম,
বন্দর সচিব মো. ওমর ফারুক প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।








