Site icon CPLUSBD.COM

জিম্বাবুয়ের সামনে বাংলাদেশের রানের পাহাড়

ওপেনার লিটন দাসের অপরাজিত ১২৬ ও মিঠুনের ৫০ রানের উপর ভর করে জিম্বাবুয়ের সামনে রানের পাহাড় দাঁড় করিয়ে দিয়েছে বাংলাদেশ। নির্ধারিত ৫০ ওভার শেষে ৬ উইকেট হারিয়ে ৩২১ রান সংগ্রহ করেছে স্বাগতিকরা। জিততে হলে সফরকারীদের করতে হবে ৩২২ রান।

রোববার (১ মার্চ) লেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে তিন ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজের প্রথমটিতে টস জিতে প্রথমে ব্যাটিং করার সিদ্ধান্ত নেন টাইগার অধিনায়ক মাশরাফি বিন মর্তুজা। ম্যাচটি সরাসরি সম্প্রচার করছে গাজী টিভি।

টস জিতে দুই ওপেনার তামিম ইকবাল ও লিটন দাসকে মাঠে পাঠায় বাংলাদেশ। শুরু থেকেই দেখেশুনে খেলছিলেন তামিম। লিটন ব্যাট চালিয়ে গেলেও তামিম মন্থরগতিতে রান তুলতে থাকেন। কিন্তু নিজের ইনিংস লম্বা করতে ব্যর্থ হয়েছেন। ৪৩ বলে ২৪ রানে ফিরেছেন।

ওয়েসলি মাদহেভের বলটি এলবিডব্লিউর শিকার হলে আম্পায়ার সোজা আঙুল তুলেন। কিন্তু তামিম রিভিউ নিলেন; সাথে আলোচনা করেই নিয়েছিলেন। পা বাড়িয়ে ডিফেন্স করতে চেয়েছিলেন তামিম। ব্যাটের কানা ফাঁকি দিয়ে আঘাত হানে প্যাডে। তামিম রিভিউ নেওয়ার পর বল ট্যাকিংয়ে দেখা গেছে বল আঘাত হানতো লেগ-মিডল স্টাম্পে। রিভিউ খুইয়ে ফিরে যান তামিম।

তামিম ইকবালের বিদায়ের পর লিটন দাসকে ভালোই সঙ্গ দিচ্ছিলেন বাঁহাতি ব্যাটসম্যান নাজমুল হোসেন শান্ত।কিন্তু আম্পায়ারের ভুল সিদ্ধান্তের শিকার হয়ে এলবিডব্লিউ হয়ে ফিরলেন শান্ত। টিনোটেন্দা মুতোম্বোজির বলে ফেরার আগে ২৯ রান করেন তিনি।

এরপর মাঠে আসেন টাইগার উইকেটরক্ষক মুশফিকুর রহিম। তবে বেশি সময় মাঠে থাকা হয়নি এ নির্ভরযোগ্য ব্যাটসম্যানের। ব্যক্তিগত ১৯ রানে ডোনাল্ড ট্রিপানোর বলে আউট হয়ে সাজঘরে ফিরেন তিনি। এরপর চোটে পড়ে অপরাজিত থেকে সাজঘরে ফেরেন লিটন। তার আগে ১০৫ বলে ১৩ চার ও ২ ছক্কায় ১২৬ রান করেন তিনি। এর আগে লিটন তার ওয়ানডে ক্যারিয়ারের সেরা ইনিংস খেলেছিলন ২০১৮ সালের সেপ্টেম্বরে। দুবাইতে ভারতের বিপক্ষে ১২১ রান করেছিলেন তিনি।

লিটনের ওঠে যাওয়ার পর বাংলাদেশকে বড় সংগ্রহের পথে এগিয়ে নিয়ে যান মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ ও মোহাম্মদ মিঠুন। মাহমুদউল্লাহ ক্রিস এমপোফুর বলে ব্যক্তিগত ৩২ রানে ফিরলেও ওয়ানডে ক্যারিয়ারের পঞ্চম ফিফটি তুলে নেন মিঠুন। তবে এরপর বেশিক্ষণ টিকেননি তিনিও। ব্যক্তিগত ৫০ রানে এমপোফুর দ্বিতীয় শিকারে পরিণত হন তিনি।

তবে শেষদিকে দীর্ঘদিন পর দলে ফিরে ঝড় তুলেন মোহাম্মদ সাইফউদ্দীন। ১৫ ‍বলে ৩ ‍ছক্কায় ২৮ রানে অপরাজিত ছিলেন তিনি। ১ ছক্কায় ৭ রানে আউট হোন মেহেদী হাসান মিরাজ। ব্যাট হাতে মাঠে নামলেও কোনও বলের মুখোমুখি হননি মাশরাফি।