অস্ত্র ও মাদক আইনের দুই মামলায় ১০ দিনের রিমান্ড শেষ না হতেই ঠিকাদার গোলাম কিবরিয়া শামীম ওরফে জি কে শামীমকে মুদ্রাপাচার মামলায় ১০ দিনের হেফাজতে চেয়ে আবেদন করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ-সিআইডি।
মঙ্গলবার ঢাকা মহানগর হাকিম আদালতে এই মামলায় শামীমকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে রিমান্ড আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সিআইডির জ্যেষ্ঠ সহকারী পুলিশ সুপার আবু সাঈদ।
বুধবার এ বিষয়ে শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে।
এর আগে দুপুরে এই মামলায় জি কে শামীমের সাত দেহরক্ষীকে চার দিনের রিমান্ডে পাঠায় আদালত।
যুবলীগ নেতা পরিচয় দিয়ে ঠিকাদারি চালিয়ে আসা শামীম রাজধানীর সবুজবাগ, বাসাবো, মতিঝিলসহ বিভিন্ন এলাকায় প্রভাবশালী হিসেবে পরিচিত। গণপূর্ত ভবনে ঠিকাদারি কাজে তার দাপটের খবর সংবাদ মাধ্যমের শিরোনাম হয়েছে।
ঢাকার বিভিন্ন ক্লাবে ক্যাসিনো-জুয়াবিরোধী অভিযানের মধ্যে গত ২০ সেপ্টেম্বর গুলশানের নিকেতনে শামীমের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে অভিযান চালিয়ে নগদ প্রায় দুই কোটি টাকা, পৌনে দুইশ কোটি টাকার এফডিআর, আগ্নেয়াস্ত্র ও মদ পাওয়ার কথা জানায় র্যাব। তখন শামীম ও তার সাত দেহরক্ষীকে গ্রেপ্তার করা হয়।
পরদিন শামীম ও তার দেহরক্ষীদের গুলশান থানায় হস্তান্তর করে তাদের বিরুদ্ধে অস্ত্র ও মাদক আইন এবং মানিলন্ডারিং আইনে তিনটি মামলা দেয় র্যাব।
ওই দিন শামীমকে আদালতে হাজির করে অস্ত্র ও মাদক মামলায় ১৪ দিনের রিমান্ড আবেদন করা হয়। দুই মামলায় পাঁচ দিন করে তার ১০ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করে আদালত।
অন্যদিকে পুলিশের আবেদনে অস্ত্র মামলায় শামীমের দেহরক্ষীদের চার দিনের রিমান্ডে পাঠানো হয়।
আইন অনুযায়ী সিআইডি মুদ্রাপাচার মামলার তদন্ত করবে বলে সে সময় পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছিল।
আদালতের সাধারণ নিবন্ধন কর্মকর্তা শেখ রকিবুর রহমান জানান, গুলশানের মানিলন্ডারিং আইনের মামলায় জি কে শামীমের ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করেছে সিআইডি। কিন্তু তিনি অন্য মামলায় রিমান্ডে আছেন। বুধবার তাকে আদালতে হাজির করার কথা রয়েছে। আদালতে হাজির করা হলে এই মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো এবং রিমান্ড আবেদনের শুনানি হবে।








