সিপ্লাস প্রতিবেদক:
চট্টগ্রাম নগরীর ওয়াসা মোড়ের অভিজাত জুক (zouk) রেষ্টুরেন্টে খাওয়ানো হচ্ছে ইলিশের নামে রুই মাছের ডিম। এমন প্রতারণার অভিযোগ আগে অহরহ থাকলেও বিষয়টি হাতেনাতে প্রমাণ পেয়েছেন সিপ্লাসটিভির এডিটর ইন চীফ আলমগীর অপু। ( ইলিশের ডিম কিনা ছবিটি দেখুন) সন্দেহ হলে জুক রেষ্টুরেন্টের ম্যানেজারকে চ্যালেন্জ করলে বিল করার সময় ইলিশের ডিমের বিল ছাড়া অন্যান্য খাবারের বিল দেন ওয়েটার।

পুরো বিলটি পরিশোধ করে বেরিয়ে আসেন আলমগীর অপুসহ তার বন্ধুরা। ইলিশের ডিম না দিয়ে কেন রুই বা কার্ফু মাছের ডিম দিলেন তা নিশ্চিত করার জন্য জিজ্ঞেস করলেও নাকি ম্যানেজার প্রিন্স বলেন, ইলিশের ডিম নিশ্চিত যা রান্না করার সময় ভেঙ্গে গেছে।পরে বিল পরিশোধ করে ডিমের ছবিগুলো ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ এসোসিয়েশন(ক্যাব) এর চট্টগ্রাম অঞ্চলের সভাপতি নাজের হোসাইনের কাছে হোয়াটস আপে ছবিগুলো পাঠালে তিনি আশ্চর্য হয়ে বলেন, এটা কোন অবস্থায় ইলিশের ডিম না। রুই বা কার্ফ্যু মাছের ডিম। এভাবে আপনাদের মতো নাগরিকের সাথে প্রতারণা করলে সাধারণ নাগরিকদের অবস্থা কতো খারাপ চিন্তা করতে পারেন।
জুক রেস্টুরেন্ট এর প্রতারণার বিষয়ে ব্যবস্থা নেবেন বলে জানান ক্যাব সভাপতি নাজের হোসাইন।
উল্লেখ্য গত ১৬ অক্টোবর ২০২০ ইংরেজি গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ এসোসিয়েশন ম্যাজিষ্ট্রেট নিয়ে অভিযান পরিচালনা করেছিলেন এই জুক রেষ্টুরেন্টে। তাতে স্যুপের ভিতর তেলাপোকা পাওয়ায় চল্লিশ হাজার টাকা জরিমানাও করা হয়েছিলো। নাজের হোসাইন বলেন, ঐ অভিযানের সময় তারা লিখিত প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলো ভোক্তাদের সাথে ভবিষ্যতে কোন প্রতারণা করবেন না কিংবা মানহীন খাবার পরিবেশন করবেন না।

আলমগীর অপু বলেন, আমার এক প্রবাসী বন্ধু আমার কাছে বায়না ধরেন, যদি ইলিশের ডিম দিয়ে খাবার খাওয়াতে পারিস তাতে আমি দুপুরে লাঞ্চ করতে পারি। সে কারণে আমি ফেসবুকে দুপুরে DESPERATELY SEEKING CHITTAGONG তে একটি পোষ্ট দিই।

পরে আমাদের অফিসের নীচে জুক রেষ্টুরেন্টের ম্যানেজার প্রিন্সকে ফোন করি। সে ব্যাপক উৎসাহ নিয়ে খাওয়াতে পারবে বললে আমরা চারজন রেষ্টুরেন্টে খেতে যাই। অন্যান্য খাবারের পাশাপাশি ইলিশের ডিম পরিবেশন করলে কোন সুগন্ধহীন, ভাঙ্গা ডিমগুলো দেখে আমার সন্দেহ হয়। আমার অন্য তিন বন্ধুও চ্যালেন্জ করেন বিষয়টি। পরে বিল পরিশোধ শেষে ক্যাবের সভাপতি নাজের হোসাইনকে বিষয়টি জানাই।








