নগরীর ইপিজেড ও তার আশে পাশের এলাকা চোরাচালান ও জুয়ারীদের স্বর্গরাজ্যে পরিণত হয়েছে। এসব চোর জুয়ার সিণ্ডিকেটের সাথে স্থানীয় ইপিজেড থানা পুলিশের যোগসাজশ রয়েছে বলে অভিযোগ আছে।
চট্টগ্রাম ইপিজেড এর বিভিন্ন গার্মেন্টস থেকে বিদেশ থেকে আমদানি করা রপ্তানিযোগ্য পণ্যের কাঁচামাল ও বিভিন্ন কারাগারে তৈরীকৃত রপ্তানি পণ্য প্রতিদিন ট্রাক ভর্তি করে বের করে আনে চোরাই সিণ্ডিকেট। এসব পণ্যের মধ্যে থাকে আমদানী কৃত থানকাপড়, সুতা, যন্ত্রাংশ এবং বিভিন্ন কারখানার তৈরীকৃত রপ্তানিযোগ্য পণ্য। এসব পণ্য পরে এই সিণ্ডিকেটটি স্থানীয় বাজারে বিক্রি করে দেয়। এসব চোরাই পণ্য কিনে নেয় ঢাকা চট্টগ্রামের বিভিন্ন ছোট পোশাক কারখানাগুলো।
গত ২২সেপ্টেম্বর শনিবার ভোরে ইপিজেড চোরাই পণ্য ভর্তি একটি কাভার্ড ভ্যান(খুলনা-ট ১২২৩) বেরিয়ে আসার সময় ইপিজেড থানা পুলিশের একটি টহল দল কাভার্ড ভ্যানটি আটক করে থানায় নিয়ে যায়। পরে অজ্ঞাত কারনে থানা থেকে কিছুক্ষণ পরেই ছাড়া পেয়ে যায় কাভার্ড ভ্যানটি। সংশ্লিষ্টদের অভিযোগ টাকার বিনিময়ে পুলিশ চোরাই পণ্যভর্তি গাড়িগুলো ছেড়ে দেয়।
এদিকে নগরীর ইপিজেড এলাকায় ৩০ থেকে ৪০টি জুয়ার ঠেক থাকলেও পুলিশ এদের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নিচ্ছেনা দীর্ঘদিন ধরে। ফলে জুয়ার টাকার ভাগাভাগি নিয়ে এই এলাকায় প্রতিদিন চলে বিবাদ। এই বিবাদ কখনো সংঘর্ষ ও খুন পর্যন্ত গড়ায়।
এসব বিষয়ে জানতে চাইলে ইপিজেড থানার ওসি মীর নুরুল হুদা সিপ্লাসের সাথে কোন রকম কথা বলতে রাজি হননি ।

