নিউজটি শেয়ার করুন

জেএমবি নেতা হত্যায় ৩ সহযোগীর মৃত্যুদণ্ড

অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ মো. শওকত আলী সোমবার এ মামলার রায় ঘোষণা করেন।

মত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হচ্ছেন, চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার নাচোল উপজেলার চাঁনপাড়া গ্রামের মৃত এরশাদের ছেলে মোঃ সানোয়ার (পলাতক), গোমস্তাপুর উপজেলার বালুগ্রাম রাজারামপুর গ্রামের মৃত আব্দুল কুদ্দসের ছেলে মো. জাহাঙ্গীর আলম এবং একই উপজেলার বালুগ্রাম দক্ষিণটোলা গ্রামের মফিজ উদ্দিনের ছেলে আব্দুস শুকুর ওরফে শুকুর।

অন্যদিকে যাবজবজীবন কারাদন্ডপ্রাপ্তরা হচ্ছেন,  গোমস্তাপুর উপজেলার বোগলা গোপালনগর গ্রামের নুরুল ইসলামের ছেলে সামশুল হক, নওঁগা জেলার মান্দা উপজেলার আব্দুল মোতাকাব্বির ওরফে বুলবুল ওরফে ফাহিম ওরফে নবীন ওরফে সজিব ওরফে সনি, একই উপজেলার চকপুস্তম গ্রামের নজরুল ইসলাম টুনুর ছেলে সাইফুল ইসরাম ওরফে সাইফুল ও নিমতলা ঘন্টুটোলা গ্রামের মাহাতাবের ছেলে মোঃ শামীম।

আজ সোমবার দুপুরে অতিরিক্ত দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. শওকত আলী একজন পলাতক ছাড়া অন্যান্য আসামিদের উপস্থিতিতে এই রায় প্রদান করেন।

অতিরিক্ত সরকারি কৌশুলী আঞ্জুমান আরা জানান, জেএমবি’র অভ্যন্তরীন নেতৃত্বের দ্বন্দ্বের কারণে আসামিরা ২০১২ সালের ২৬ এপ্রিল রাত ১১ টার সময় জেলার নাচোল উপজেলার ফতেপুর ইউনিয়নের খোলসি বোরিয়া গ্রামের একটি আমবাগান থেকে ঢাকা জেলার ধানমন্ডির আসগর আলীর ছেলে মোঃ রুহুল আমীন ওরফে সালমানের গলা দেহ থেকে দ্বিখন্ডিত করে তার মস্তকটি জেলার গোমস্তাপুর থানার মহানন্দা নদীর ধাইনগর ঘাটে মাটির নীচে পুতে রাখে।

এ ঘটনায় নাচোল থানার এসআই আনিসুর বাদী হয়ে ৭ জনকে আসামি করে নাচোল থানায় মামলা দায়ের করেন। পরে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও নাচোল থানার এসআই শ্রী গৌতম চন্দ্র মালী ২০১৫ সালের ২৯ আগষ্ট আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।

সাক্ষ্য প্রমাণ শেষে আদালতের বিচারক রায় প্রদান করেন।

রাষ্ট্রপক্ষের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর আঞ্জুমান আরা জানান, জেএমবির অভ্যন্তরীণ দ্বন্দের জেরে ২০১২ সালের ২৬ এপ্রিল নাচোল উপজেলার খলসি-বোরিয়া এলাকায় গলা কেটে হত্যা করা হয় সংগঠনটির ওই সময়ের ‘স্বঘোষিত আমির’ রুহুল আমীন ওরফে সালমানকে।

পরদিন সকালে স্থানীয় একটি আম বাগান থেকে সালমানের মুণ্ডুহীন লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। নাচোল থানার এসআই আনিসুর রহমান বাদী হয়ে ওইদিনই অজ্ঞাতপরিচয় আসামিদের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করেন।