সিপ্লাস প্রতিবেদক: করোনা সম্পর্কে গণসচেতনতা বাড়াতে ও করোনার ঊর্ধ্বমুখী সংক্রমণ রোধে সরকার ঘোষিত লকডাউন সফল করতে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসনের ১০ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট দিনব্যাপী ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান চালিয়েছেন
সোমবার(১৯ এপ্রিল) নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নাজমা বিনতে আমিন নগরীর পতেঙ্গা ইপিজেড ও বন্দর এলাকায় মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করার সময় ২টি মামলায় ১৫০০ টাকা অর্থদণ্ড আদায় করেন। এ সময় অধিকাংশ সাধারণ মানুষ কে স্বাস্থ্য বিধি মেনে চলতে দেখেন এবং সচেতনতার লক্ষ্যে জেলা প্রশাসনের পক্ষে মাস্ক বিতরণ করেন।
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এহসান মুরাদ পতেঙ্গা ইপিজেড ও বন্দর এলাকায় মোবাইল কোর্ট পরিচালনা কালে সচেতনতার পাশাপাশি সাধারণ মানুষের মাঝে মাস্ক বিতরণ করেন।
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ আতিকুর রহমান নগরীর পাহাড়তলী হালিশহর আকবরশাহ এলাকায় মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করার সময় ২ টি মামলায় ১০০০ টাকা অর্থদণ্ড আদায় করেন। এছাড়াও সর্বাত্মক লকডাউন মেনে চলার ব্যাপারে জনসাধারণকে সচেতন করেন এবং জেলা প্রশাসনের পক্ষে মাস্ক বিতরণ করেন।
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ মোজাম্মেল হক চৌধুরী নগরীর পাঁচলাইশ বাকলিয়া ও চকবাজার এলাকায় মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করার সময় ৫ টি মামলায় ৫০০০ টাকা অর্থদণ্ড আদায় করেন এবং লকডাউন ও স্বাস্থ্য বিধি মেনে চলার ব্যাপারে জনসাধারণকে সচেতন করেন। এছাড়াও সাধারণ মানুষের মাঝে মাস্ক বিতরণ করেন।
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ রাজিব হোসেন নগরীর কোতোয়ালি সদরঘাট ও ডবলমুরিং এলাকায় মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করার সময় ১ টি মামলা দায়ের করে ২০০ টাকা অর্থদণ্ড আদায় করেন। এছাড়াও সাধারণ মানুষের মাঝে মাস্ক বিতরণ করেন।
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রেজওয়ানা আফরিন শহরের কোতোয়ালি সদরঘাট ও ডবলমুরিং এলাকায় মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করার সময় ৩টি মামলায় ১২০০ টাকা অর্থদণ্ড আদায় করেন। এছাড়াও সাধারণ মানুষ কে স্বাস্থ্য বিধি মেনে চলতে দেখেন এবং জেলা প্রশাসন, চট্টগ্রামের পক্ষ হইতে মাস্ক বিতরণ করেন।
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ফাহমিদা আফরোজ নগরীর খুলশী বায়েজিদ ও চান্দগাও এলাকায় মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করার সময় ৩ টি মামলায় ১৪০০ টাকা অর্থদণ্ড আদায় করেন এবং সচেতনতার পাশাপাশি মাস্ক বিতরণ করেন।
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নূরজাহান আক্তার সাথী নগরীর পাহাড়তলী হালিশহর ও আকবরশাহ এলাকায় মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে ৪ টি মামলায় ১১০০ টাকা অর্থদণ্ড আদায় করেন। এ সময় অধিকাংশ সাধারণ মানুষ কে স্বাস্থ্য বিধি মেনে চলতে দেখা যায় এবং মাস্ক বিতরণ করা হয়।
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট হুছাইন মুহাম্মদ নগরীর পাঁচলাইশ বাকলিয়া ও চকবাজার এলাকায় মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করার সময় ৩টি মামলায় ৫০০ টাকা অর্থদণ্ড আদায় করেন এবং মাস্ক বিতরণ করেন।
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সোনিয়া হক নগরীর খুলশী বায়েজিদ ও চান্দগাও এলাকায় মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে ০৬ টি মামলায় ১২৫০ টাকা অর্থদণ্ড আদায় করেন।
এছাড়াও লকডাউন সফল করার লক্ষ্যে সন্ধ্যার পর থেকে আরও দুইজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ মাসুদ রানা ও আব্দুল্লাহ আল মামুন এর নেতৃত্বে চট্টগ্রাম মহানগরীর বিভিন্ন স্থানে অভিযান পরিচালনা করা হবে।








