নিউজটি শেয়ার করুন

জোয়ারে বন্দর ও চট্টগ্রামের বিভিন্ন এলাকা প্লাবিত

সিপ্লাস প্রতিবেদক: ‘পূর্ণিমা’র প্রভাবে কর্ণফুলী নদীতে বেড়ে যায় জোয়ারের পানি। এতে নগরীর নিম্নাঞ্চলে জোয়ারের পানি কর্ণফুলী নদীর বিভিন্ন খাল দিয়ে প্রবেশ করছে।

বুধবার (২৬ মে) দুপুর থেকে নগরীর আগ্রাবাদ সিডিএ আবাসিক এলাকার বিভিন্ন সড়ক, মা ও শিশু হাসপাতাল এলাকায় হাটু পরিমাণ জোয়ারের পানি প্রবেশ করেছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
সিডিএ আবাসিক এলাকার বাসিন্দা নুরুল ইসলাম বলেন, বুধবার দুপুরের পর থেকে সিডিএ আবাসিক এলাকার নিচু সড়কগুলোতে জোয়ারের পানি উঠতে থাকে। ফলে বিভিন্ন কাজে বের হওয়া মানুষকে পানিতে ডুবে যাওয়া রাস্তায় চলাচল করতে হয়েছে। জসিম উদ্দিন নামের একজন বলেন, জোয়ারের পানি উঠে সড়ক তলিয়ে গেছে। ফলে অতিরিক্ত ভাড়া দিয়ে একস্থান থেকে অন্যস্থানে যেতে হচ্ছে।
এছাড়া নিম্নাঞ্চলের বিভিন্ন বাসা-বাড়ি ও দোকান-পাটেও জোয়ারের পানি ঢুকেছে। আবহাওয়া অফিস থেকে চট্টগ্রাম সমুদ্র বন্দরকে তিন নম্বর সর্তক সংকেত দেখাতে বলেছে।
বন্দরের ইয়ার্ড প্লাবিত

ঘূর্ণিঝড় ‘ইয়াস’ ও ‘পূর্ণিমা’র প্রভাবে কর্ণফুলী নদীতে জোয়ারের পানি বেড়ে যায়। জোয়ারের পানি বেড়ে যাওয়ায় চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দরের কনটেইনার ইয়ার্ডে পানি প্রবেশ করেছে।

চট্টগ্রাম বন্দরের সচিব ওমর ফারুক বলেন, জোয়ারের কারণে বন্দরের ইয়ার্ডের দুয়েকটা পয়েন্টে পানি উঠে। নদীর পাশের দুয়েক জায়গায় সাত-আট ইঞ্চি পানি উঠেছিল। জোয়ারের পানি ঘণ্টা দেড়েক ছিল।

সূত্র জানায়, বুধবার দুপুর ১২টা আগে বন্দরের কনটেইনার ইয়ার্ডের কয়েকটি পয়েন্টে পানি প্রবেশ করে। দেড় ঘণ্টা পরে আবার পানি নেমে যায়।

শুক্রবার (২৮ মে) নগরীর জিইসি, দুই নম্বর গেটসহ নিম্নাঞ্চলে এমন দৃশ্য দেখা গেছে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, পূর্ণিমার প্রভাবে জোয়ারের পানিতে নগরের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। সিডিএ অ্যাভেনিউর কয়েকটি স্পট ছাড়াও নগরের আগ্রাবাদ, সিডিএ আবাসিক, শান্তিবাগ, হালিশহর আবাসিক এলাকা, চান্দগাঁও, বাকলিয়া, খাতুনগঞ্জসহ বেশ কিছু নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে জোয়ারের পানিতে।