সিপ্লাস ডেস্ক: দীর্ঘ দুই মাসের বেশি সময় বন্ধ থাকার পর করোনাভাইরাসের মহামারীর বিস্তারের মধ্যে সংক্রমণের ঝুঁকি নিয়েই নৌপথে যাত্রী পরিবহন শুরু হয়েছে।
রোববার সকাল পৌনে ৭টার দিকে প্রথম যাত্রীবাহী লঞ্চ এমভি সোনারতরী চাঁদপুরের উদ্দেশ্যে সদরঘাট ছেড়ে যায় বলে বিআইডব্লিউটিএর পরিচালক রফিকুল ইসলাম জানিয়েছেন।
তিনি বলেন, নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী, স্বাস্থ্যবিধি মেনে লঞ্চ চলাচল শুরু হয়েছে।
এমভি সোনারতরী পর একে একে এমভি গাজী এক্সপ্রেস -৪ জামাল-৪, পুবালী ও বোগদাদীয়া শরীয়তপুরের উদ্দেশ্যে ছেড়ে যায় বলে তিনি জানান।
সকাল ৮টায় বরিশালের উদ্দেশ্যে সদরঘাট থেকে ছেড়ে যায় গ্রীন লাইন।
করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব মোকাবিলায় ২৬ মার্চ থেকে চলা সাধারণ ছুটির মেয়াদ না বাড়িয়ে ৩১ মে থেকে ১৫ জুন পর্যন্ত স্বাস্থ্যবিধি মেনে অফিস খোলা রাখার পাশাপাশি গণপরিবহন চালুর সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।
দেশে সংক্রমণের মাত্রা যখন বাড়ছে তখন মহামারী ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা ও সমালোচনার মধ্যেই ‘মানুষের জীবন ও জীবিকা বাঁচাতে’ অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড শুরু করার বিকল্প নেই এমন যুক্তি তুলে ধরে সরকার এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
রোববার থেকে চালু হচ্ছে লঞ্চ চলাচল ও আর সোমবার থেকে চলবে বাস ও ট্রেন। তবে মহামারীর মধ্যে গণপরিবহণে স্বাস্থ্য সেবা বিভাগ থেকে জারি করা ১৩ দফা স্বাস্থ্য সুরক্ষা নির্দেশনা কঠোরভাবে অনুসরণ করতে বলা হয়েছে।
ঢাকা নদী বন্দরের যুগ্ম পরিচালক একেএম আরিফ উদ্দিন বলেন, সদরঘাটের আটটি প্রবেশপথে জীবানুমুক্তকরণ টানেল বসানো হয়েছে; হ্যান্ড স্যানিটাইজারের ব্যবস্থা করা হয়েছে।
স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের সব নির্দেশনা অনুসরণ করা হচ্ছে দাবি করে তিনি বলেন, “লঞ্চের ডেকে কোন যাত্রী কোথায় অবস্থান করবে তা চিহ্নিত করা হয়েছে।”
সদরঘাট পুলিশ ফাঁড়ির এসআই মো. পাবেল মিয়া বলেন, সদরঘাটে যাত্রী চলাচল সামনে রেখে পুলিশ সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে।








