সিপ্লাস প্রতিবেদক: টেকনাফের মেরিন ড্রাইভে পুলিশের গুলিতে সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ নিহতের ঘটনায় গ্রেফতার হওয়া প্রধান আসামী লিয়াকত সহ আটজনকে কক্সবাজার আদালতে নেয়া হয়েছে।
লিয়াকত ছাড়া গ্রেফতার এসআই নন্দলাল রক্ষিত, এসআই টুটুল, এএসআই লিটন মিয়া, কনস্টেবল সাফানুর করিম, কনস্টেবল কামাল হোসেন, কনস্টেবল আবদুল্লাহ আল মামুন ও কনস্টেবল মো. মোস্তফাকেও কক্সবাজার আদালতে আনা হয়েছে।
এছাড়া টেকনাফ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) প্রদীপ কুমার দাশকে নিয়ে পুলিশের একটি বহর কক্সবাজারে পথে। কিছুক্ষনের মধ্যে তাকে নিয়ে রওয়ানা হওয়া পুলিশের বহরটি কক্সবাজার আদালতে পৌছুবে।
সন্ধ্যার মধ্যে সব আসামীদের আদালতে তোলার কথা রয়েছে।
এদিকে সিনহা হত্যা মামলার আসামীদের আদালতে নেয়ার খবর পেয়ে কক্সবাজার আদালতে ভিড় করেছেন ব্যাপক সংখ্যক গণমাধ্যম কর্মী ও উৎসুক মানুষ। একই সাথে কক্সবাজার আদালত এলাকায় নেয়া হয়েছে ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা।

এর আগে বুধবার (৫ আগস্ট) রাতে ওসি প্রদীপ কুমার দাসকে প্রত্যাহার করা হয়। ওইদিন সকালে ওসি প্রদীপ কুমার দাশ ও টেকনাফ বাহারছড়া তদন্ত কেন্দ্রের আইসি পুলিশ পরিদর্শক মো. লিয়াকতসহ ৯ পুলিশের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করেন মেজর সিনহার বড় বোন শারমিন শাহরিয়া ফেরদৌস। পরে নয় আসামির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন আদালত।
গত ৩১ জুলাই দিবাগত রাত সাড়ে ৯টার দিকে কক্সবাজার-টেকনাফ মেরিন ড্রাইভ সড়কের বাহারছড়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে মেজর সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খান গুলিতে নিহত হন। ঘটনার সময় উপস্থিত ৯ পুলিশ সদস্যকে মামলায় আসামি করা হয়েছে।
আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে টেকনাফ থানার ওসিকে মামলাটি এফআইআর হিসাবে রুজু এবং র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নকে (র্যাব-১৫) তদন্তের নির্দেশ দেন।
এ মামলায় সাবেক মেজর সিনহা মো. রাশেদ খানের সঙ্গী ও ৩১ জুলাই এর ঘটনায় টেকনাফ পুলিশের দায়ের করা মামলার আসামি সাহেদুল ইসলাম সিফাতসহ ১০ জনকে সাক্ষী করা হয়েছে।








