Site icon CPLUSBD.COM

টেরিবাজারের দুর্ধর্ষ ছিনতাইকারী ও ইয়াবা বিক্রেতা লিটন অবশেষে গ্রেফতার

ছিনতাই, চাঁদাবাজি, মাদক ব্যবসা কিছুই বাদ রাখেনা কোতোয়ালী থানাধিন রঘুনাথ বাড়ির অজিত দেবের ছেলে অশোক দেব ওরফে লিটন। তার যন্ত্রনায় অতিষ্ঠ স্থানিয় ব্যবসায়ি থেকে সাধারণ এলাকাবাসি৷ অবশেষ গতকাল সাঁড়াশি অভিযানে গ্রেফতার হলো লিটন৷

আটক লিটনের বিরুদ্ধে নগরীর কোতোয়ালী থানায় একাধিক মামলা ও অভিযোগ রয়েছে বলে থানা সূত্রে জানা গেছে৷ স্বঘোষিত নগর যুবলীগ নেতা লিটন মূলত একজন দলীয় ক্যাডার হিসেবে কাজ করতো৷ বর্তমান আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পর লিটন শুরুতে বিলবোর্ডের ব্যবসা শুরু করে। মেয়রের অনুশারি হিসেবে নিজেকে পরিচয় দিয়ে সিটি কর্পোরেশনের টেন্ডার কাজেও ভাগ বসাতো লিটন৷ তবে সে মূলত টেরিবাজার, জেলরোড, আন্দরকিল্লা, জামালখান সহ আশপাশের এলাকায় ছিনতাই, চাঁদাবাজি এমনকি অপহরণ কাজের জন্যে কুখ্যাত৷ এছাড়া আশাপাশের এলাকায় ইয়াবা সিন্ডিকেটের নেতৃত্ব দেয় লিটনের কিশোর গ্যাং৷

২০১০ সালে ৩ আগস্ট দুপুরে র‌্যাব পরিচয় দিয়ে জিইসি মোড়ে ১১ লাখ টাকা ছিনতাইয়ের ঘটনায় জড়িত থাকায় লিটকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় পুলিশ ছিনতাইয়ের কাজে ব্যবহূত একটি মাইক্রোবাস ও ছিনতাই হওয়া ২৫ হাজার টাকা উদ্ধার করেছিল।

২০১৮ সালের ১০ এপ্রিল জেল রোডের মুখে ছোরার ভয় দেখিয়ে ফেরদৌস ওয়াহিদ নামে এক ব্যবসায়ীকে মারধর করে সাড়ে তিন লাখ টাকা ছিনতাই মামলায় গ্রেফতার হওয়া দুই কলেজছাত্র জালাল উদ্দিন সাইমুন ওরফে অন্তর ও সাইদুর রহমান ওরফে নিয়াজের জবানবন্দিতে লিটনের নাম উঠে আসে।

২০১৭ সালের ২৩ জানুয়ারি চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন নিয়ন্ত্রিত কর্ণফুলী নদীর ১৪ নম্বর ঘাট ইজারাকে কেন্দ্র করে নগর ভবনের সামনে ছাত্রলীগ-যুবলীগ নামধারী দুগ্রুপে সংঘর্ষ গোলাগুলি ও ধাওয়া পাল্টা-ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় অশোক দেব লিটনসহ তিনজন গুলিবিদ্ধ হয়। বাকি দুজন হলেন-অভি পাল ও অ্যাডভোকেট তৌহিদুল ইসলাম।

এই বিষয়ে কোতোয়ালী থানার ওসি মোহাম্মদ মহসিন সিপ্লাসকে জানান, লিটনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে স্থানীয় লোকজনের অভিযোগে৷ লিটনের বিরুদ্ধে একটা রেগুলার মামলা রুজু করা হয়েছে৷