নিউজটি শেয়ার করুন

ডুলাহাজারার মালুমঘাটে দিনদুপুরে বসতবাড়ী ভাংচুর করে গাছ লুট!

ডুলাহাজারার মালুমঘাটে দিনদুপুরে বসতবাড়ী ভাংচুর করে গাছ লুট!

কক্সবাজার প্রতিনিধি: বসতবাড়ির জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে দিনদুপুরে বাড়িতে হামলা চালিয়ে ভাংচুর ও বিভিন্ন প্রজাতির গাছ কেটে লুটের অভিযোগ উঠেছে।

বুধবার (৬ অক্টোবর) দুপুর সাড়ে ১২ টার দিকে চকরিয়া উপজেলার ডুলাহাজারা ইউনিয়নের মালুমঘাট ২ নং ওয়ার্ড পশ্চিম ডুমখালী গ্রামে এ হামলার ঘটনা ঘটে।

খবর পেয়ে চকরিয়া থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

এ ঘটনায় একইদিন রাতে ৭ জনকে বিবাদী করে চকরিয়া থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

ক্ষতিগ্রস্থ বাড়ির মালিক গফুর আহমদ জানায়, একই এলাকার মৃত জাকের আহমদের ছেলে রেজাউল করিম বাপ্পীর সাথে তাদের বসতভিটার জমি জমা সংক্রান্ত দখল নিয়ে দীর্ঘদিন বিরোধ চলে আসছিল। তারা দিনদুপুরে অস্ত্র শস্ত্র নিয়ে আমার ঘরে হামলা করে বসতবাড়ি ভাংচুর করে বেশ কটি গাছ কেটে লুটপাট চালায়। অথচ ঐ জমি ক্রয়সুত্রে আমি বসবাস করছিলাম।

ডুলাহাজারার মালুমঘাটে দিনদুপুরে বসতবাড়ী ভাংচুর করে গাছ লুট!

গফুরের স্ত্রী ছেনোয়ারা বেগম বলেন, বুধবার দুপুরে রেজাউল করিম বাপ্পীর নেতৃত্বে ২০/২৫ জন মানিকপুরের ভাটাটিয়া সন্ত্রাসী দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে আমার ঘরে হামলা চালায়। তিনি বলেন, হামলাকারীরা আমার বাথরুম ভাংচুর করে,দরজা ভেঙ্গে ঘরে ডুকে আসবাবপত্র তছনছ করে নিয়ে যায়। এসময় আমার ছেলে বাড়িতে ছিলনা। এছাড়াও তারা আমার বসতবাড়ী কুপিয়ে ও ভাংচুর করে ক্ষতি করে এবং ৭ টি গাছ কেটে লুট করে।

ডুলাহাজারার মালুমঘাটে দিনদুপুরে বসতবাড়ী ভাংচুর করে গাছ লুট!

স্থানীয় ২নং ওয়ার্ড মেম্বার শাহাব উদ্দীন ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, দীর্ঘদিন ধরে তাদের বসতভিটার বিরোধ চলছে। ভাংচুর ও হামলার ঘটনা শুনেছি।

গফুরের ছেলে রুবেল অভিযোগ করে জানান, বাড়িতে হামলা ও গাছ কেটে লুটপাট করে তারা ক্ষান্ত হয়নি। সন্ধ্যা পর্যন্ত অস্ত্র শস্ত্র নিয়ে হামলাকারীরা পাহারা বসিয়েছে। দিনদুপুরে তাদের বাড়িতে হামলা চরম ন্যাক্কারজনক ঘটনা উল্লেখ করে হামলাকারীদের গ্রেফতারসহ দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।

চকরিয়া থানা পুলিশের এসআই ফারুক হোসেন জানান, পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। ভুক্তভোগীকে থানায় লিখিত অভিযোগ দেওয়ার জন্য বলা হয়েছে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here